আইপিএল থেকে ছিটকে গেল গতবারের চ্যাম্পিয়নরা। হ্যাঁ, অনেক অঙ্ক কষে এগিয়ে যাওয়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন কেকেআর অধিনায়ক অজিঙ্কে রাহানে। কিন্তু লাভ কিছুই হল না। বেঙ্গালুরুর মাঠে তাদের কফিনে শেষ পেরেক পুঁতে দিল বৃষ্টি। আগাম বার্তা ছিল। আহাওয়া অফিস থেকে জানানো হয়েছিল, সন্ধ্যের পর থেকে বৃষ্টি ম্যাচে বাধা হয়ে দাঁড়াবে। সেটাই হল। একটা বলও মাঠে গড়াল না। রাত ১০টা ৫৪ মিনিটে আম্পায়ররা খেলা বাতিল করে দিলেন। এবং একই সঙ্গে এবারের আইপিএল থেকে ছিটকে গেল কেকেআর। পাশপাশি আরসিবি প্লে অফ খেলার লক্ষ্যে এক পা সামনে দিয়ে রাখল। তারা ১২ ম্যাচ খেলে পয়েন্ট পেল ১৭। উল্টোদিকে ১৩ ম্যাচে কেকেআরের পয়েন্ট ১২। এই জায়গা তেকে তাদের প্লে অফ খেলা সম্ভব নয়। এখনও পর্যন্ত তার ছয় নম্বরে দাঁড়িয়ে। শেষ ম্যাচ জিতলেও তার ১৪ পয়েন্টে গিয়ে দঁড়াবে। কিন্তু তাতে লাভের লাভ কিছুই হবে না। অন্য দলগুলি এতটই এগিয়ে রয়েছে যে কেকেআর কখনই তাদের দারে কাছে পৌঁছতে পারবে না। তাই গতবারের চ্যাম্পিয়নরা আপতত ছুটি চলে গেল। শেষ ম্যাচ নিয়মরক্ষার হওয়ার কারনে প্রয়োজন হলে রাসেলরা দেসে ফিরে যাওয়ার টিকিট কনফার্ম করে নিতে পারে।
টেস্ট ক্রিকেট থেকে অবসর নেওয়ার পর বিরাট কোহলি নিজর ডেরায় মাঠে নেমেছিলেন। ব্যাট হাতে নয়, মাঠ দেখে বুঝতে চেষ্টা করেছিলেন যে এই মাঠে খেলা হওয়া সম্ভব কিনা। আম্পায়ররা জানিয়েছিলেন রাত সাড়ে আটটায় খেলা শুরু করতে পারলে দুই দলই ২০ ওভার করে খেলতে পারবে। কিন্তু তারপর খেলা শুরু হলে ওভার কমবে। ম্যাচের কাট অফ টাইম ছিল ১০টা ৫৪ মিনিট। তখনও খেলা শুরু করতে পারলে পাঁচ ওভারের ম্যাচ হবে। কিন্তু বৃষ্টির কারনে সেটাও হল না। তাই আম্পায়ররা খেলা বাতিল করে দিলেন। বাতিল খেল থকে দুটি এক পয়েন্ট করে পাওয়ায় আরসিবি প্লে অফে পা দিয়ে ফেলল। আর কেকেআরের কাছে পাওয়ার কিছু রইল না। তার এক ম্যাচ বাকি থাকতে ছিটকে গেল।
এই ম্যাচে বিরট কোহলিকে সন্মান জানতে আরসিবি ফ্যানরা কোহলি লেখা ১৮ নম্বরের সাদা জার্সি গায়ে মাঠে এসেছিলেন। বিরাটকে শ্রদ্ধা জানাতে ফ্যানদের এ এক অভিনব পন্থা। বৃষ্টি টানা হলেও ফ্যানরা মাঠ ছেড়ে যেতে রাজি ছিলেন না। তারা মনে করেছিলেন পাঁচ ওভারের ম্যাচ হলেও হতে পারে। তরই অপেক্ষা রাত দশটার পরও। কিন্তু সেখানেও বাধা। খেলা হল না। তবু তাদের পাওয়া এবার হয়তো ৮ বছরের খরা কাটতে পারে। আরসিবি আইপিএল জিতবে এই স্বপ্ন চোখে নিয়ে তারা ঘুমোতে যান। সকলের নজর বিরাটের দিকে। তিনি রান করলে সব সম্ভব। এমনদিনে এটাই তাদের চাওয়া।







