শুক্রবার আইএফএ-র শৃঙ্খলারক্ষা কমিটির সভায় গিয়ে দুঃখপ্রকাশ করলেও আইএফএ তাতে পুরোপুরি সন্তুষ্ট হয়নি। কমিটি সিদ্ধান্ত নিয়েছে, রঞ্জন ভট্টাচার্যকে সাংবাদিক বৈঠক করে আনুষ্ঠানিকভাবে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে হবে। সেই সঙ্গে দু’টি ম্যাচে তাঁকে মাঠের বাইরে থাকতে হবে। এটা না করলে তাঁকে গোটা মরশুমের জন্য সাসপেন্ড করা হবে।
কমিটির এই সিদ্ধান্তে রঞ্জন ভট্টাচার্যের বিশেষ কোনও প্রতিক্রিয়া নেই। তার ক্লাব সুরুচি সংঘের দিকে তাকিয়ে আছেন কোচ। ক্লাব এখন কলকাতা প্রিমিয়ার লিগে এক বিশেষ সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে। বাকি ৩টে ম্যাচের ২টো জিতলেই ‘সুপার-সিক্সে’ যাওয়া নিশ্চিত করবে সুরুচি সংঘ। সুপার-সিক্সে দলের পৌঁছনো মানে, ফুটবলারদের কেরিয়ারে ঔজ্জ্বল্য আরও বাড়বে। সুপার-সিক্সে ভাল খেললে আগামি মরশুমে বড় দলের প্রস্তাব পাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়। তাই নিজের স্বার্থ ছেড়ে কখনও বৃহত্তর স্বার্থের কথা ভেবে চুপ করে থাকাটাই শ্রেয়।
এই ভাবনা থেকেই রঞ্জন ভট্টাচার্য বললেন না যে, শুক্রবার আইএফএ-র শৃঙ্খলারক্ষা কমিটির নতুন নিধান তিনি মানবেন কি না। শুধু বললেন, “গতকাল শৃঙ্খলারক্ষা কমিটির সামনে আমি দুঃখপ্রকাশ করেছি। তারপরও কমিটি একটা সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এখন ক্লাব কী সিদ্ধান্ত নেয় দেখি। তারপর আমার নিজের ভাবনা তো আছে। তবে আত্মসম্মান বিসর্জন দিয়ে কিছু করব না।”
১২ অগস্ট সুরুচি সংঘের পরের ম্যাচ। ক্লাব কর্তৃপক্ষ যদি তাকে বলে সেই ম্যাচে মাঠে না থাকতে তাহলে তিনি থাকবেন না।
রঞ্জন ভট্টাচার্য বলেছিলেন, “সুরুচি সংঘের বিরুদ্ধে আইএফএ চক্রান্ত করেছে। আমাদের গ্রুপে যেখানে প্রায় সব দলই সাতটি করে ম্যাচ খেলে নিয়েছে সেখানে আমরা খেলেছি ছয়টি ম্যাচ। আমাদের খেলার মোমেন্টাম নষ্ট করে দিতে চাইছে আইএফএ। আমাদের পয়েন্টে তালিকায় এক নম্বর স্থানে না রাখার চক্রান্ত করেছে আইএফএ। আমি আইএফএ সচিব অনির্বাণ দত্তকে চ্যালেঞ্জ করছি। কেন সবাই ৭টা ম্যাচ খেলে নিল, আমরা কেন ৬ নম্বর ম্যাচ খেলব?”







