ঘরের মাঠে এগিয়ে থেকে আবারও একটা ড্র। আর যে কেরালা(Kerala Blasters) এখনও পর্যন্ত কারোর বিরুদ্ধে পয়েন্ট পায়নি, সেই ইস্টবেঙ্গলের(Eastbengal) বিরুদ্ধেই তারা পয়েন্টের খাতাটা খুলে ফেলল। শেষমুহূর্তে কেরালার গোলে ১-১ ফলাফলেই শেষ হল ম্যাচ। আবারও দু পয়েন্ট হাতছাড়া করেই সন্তুষ্ট থাকতে হল অস্কার ব্রুজোঁর দলকে। সেইসঙ্গে ইস্টবেঙ্গলের প্রথম একাদশ থেকে অস্কারের স্ট্র্যাটেজি সবকিছু নিয়েই যে বহু প্রশ্ন উঠে গেল তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
ম্যাচের ১০ মিনিটে পেনাল্টি আদায় করে লাল-হলুদ। গোল করতে ভুল করেননি ইউসেফ এজ্জেজারি। কিন্তু এরপর ইস্টবেঙ্গল গোটা প্রথমার্ধ জুড়ে যে খেলাটা খেলল, সেটা যেন বড়ই অগোছালো। সেইসঙ্গে বিপিন তো এদিন উইং দিয়ে সেভাবে ঝড় তুলতেই পারলেন না। আসলে তাঁকে সেভাবে বল বাড়ানোরই কেউ ছিলেন না। মিগুয়েল আবারও সেই একইরকম। বারবার আটকে পড়ছিলেন। আর কখনও কখনও হতাশ হয়ে নিজেই একের পর এক ভুল শট খেলছিলেন।
বিরতির পরও ইস্টবেঙ্গলের খেলার চিত্রটা কিন্তু সেভাবে বদল হয়নি। বরং কেরালা ক্রমশই চাপ বাড়িয়েছিল ইস্টবেঙ্গল রক্ষণে। অবশ্য ইস্টবেঙ্গলও যে সুযোগ পায়নি এমনটা নয়। কিন্তু জালে বারবারই বল জড়াতে ব্যর্থ হয়েছেন এজ্জেজারি, এডমুন্ড থেকে বিষ্ণুরা। বরং খেলার একেবারে শেষ মুহূর্তে আজসালের দুরন্ত হেডে ম্যাচে সমতা ফেরায় কেরালা ব্লাস্টার্স। এরপর আর মাত্র কিছুক্ষণ সময়। ইস্টবেঙ্গল অবশ্য ম্যাচে ফিরতে পারেনি। কিন্তু দুটো পয়েন্ট ঘরের মাঠে হাতছাড়া করল। সেইসঙ্গে অস্কার বহু প্রশ্নও কিন্তু উঠিয়ে দিলেন।







