বিধ্বংসী জসপ্রীত বুমরাহ(Jasprit Bumrah)। আর তাতেই প্রথম দিনের শেষে এগিয়ে ভারত(India Team)। দক্ষিণ আফ্রিকার(South Africa) ব্যাটিং লাইনআপকে এদিন একাই শেষ করলেন ভারতীয় দলের স্পীডস্টার। বুমরাহ(Jasprit Bumrah) তুলে নিলেন ৫ উইকেট। ইডেনের পিচে গতবারের চ্যাম্পিয়নদির মাত্র ১৫৯ রানেই শেষ করে দিলেন ভারতীয় দলের তারকা পেসার। সেইসঙ্গে ফর্মে ছিলেন কুলদীপ(Kuldeep Yadav), অক্ষররাও(Axar Patel)। দিনের শেষে ভারতের রান ১ উইকেটে ৩৭। তবে এই ম্যাচেও কিন্তু নিজের ফর্ম দেখাতে পারলেন না যশস্বী জয়সওয়াল। ১২ রানেই সাজঘরে ফিরতে হয় তাঁকে।
টস জিতে এদিন প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকা(South Africa)। শুরুর দিকে প্রোটিয়াদের ওপেনিং পার্টনারশিপ বেশ ভালো খেলছিলও। কিন্তু বুমরার আক্রমণেই সব শেষ তাদের। তিনি একাই কার্যত এদিন শেষ করে দেয় প্রোটিয়াদের বোলিং লাইনআপ। দক্ষিণ আফ্রিকার রান তখন বিনা উইকেটে ৫৭। সেই সময় রিকেলটনকে ক্লিন বোল্ড করেন বুমরাহ। দশ বলের ব্যবধানে ফের সাফল্য। এবার বুমরার(Jasprit Bumrah) দুর্ধর্ষ ডেলিভারিতে ঋষভ পন্থের হাতে ক্যাচ দিতে বাধ্য হন এডেন মার্করাম।
দক্ষিণ আফ্রিকা সেই ধাক্কা সামাল দেওয়ার আগেই কুলদীপের(Kuldeep Yadav) স্পিনের সামনে থামতে বাধ্য হন টেম্বা বাভুমা(Temba Bavuma) এবং মুলডার(Mulder)। সেই থেকেই প্রোটিয়াদের ওপর চাপ বাড়াতে থাকে ভারতীয় দল। ডে জর্জি একটা চেষ্টা করলেও আবারও সেই বুমরার কাছেই আটকে যান তিনি। ১২০ রানের মধ্যে ৫ উইকেট খুইয়ে কার্যত দক্ষিণ আফ্রিকার বড় রানের আশা তখনই শেষ হয়ে গিয়েছিল।
ট্রিস্টান স্টাবস ক্রিজে দাঁড়িয়ে থাকলেও, বুমরাহ(Jasprit Bumrah), কুলদীপ(Kuldeep Yadav) এবং সিরাজদের দাপটের সামনে বেশীক্ষণ টিকে থাকতে পারেননি দক্ষিণ আফ্রিকার বাকি ব্যাটাররা। শেষ দুটো উইকেটও সেই জসপ্রীত বুমরারই শিকার। ১৫৯ রানেই দক্ষিণ আফ্রিকাকে থামিয়ে দেন তিনি। আর সেইসঙ্গেই ইডেনে প্রথম দিন থেকেই খানিকটা ফ্রন্টফুটে টিম ইন্ডিয়া।
তবে এই ম্যাচেও কিন্তু প্রথম ইনিংসে ব্যর্থ যশস্বী জয়সওয়াল(Yashasvi Jaiswal)। তাঁর ফর্ম নিয়ে সম্প্রতি কথাবার্তাও চলছিল। সেই পরিস্থিতিতে মাত্র ১২ রানেই থামতে হল ভারতীয় দলের এই তরুণ ওপেনিং ব্যাটারকে। দিনের শেষে ১৩ রানে ক্রিজে রয়েছেন কেএল রাহুল(KL Rahul) এবং ৯ রানে ওয়াশিংটন সু্ন্দর(Washington Sundar)।
শনিবার ইডেনের এই পিচে প্রথম সেশনটাই যে ভারতীয় দলের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।







