কালিঘাট স্পোর্টস লাভার্সকে ৪-০ গোলে হারাবার পর মোহনবাগান কোচ স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, তঁারা জেতার ব্যাপারে নিশ্চিত ছিলেন। কেন নিশ্চিত ছিলেন তার ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে কার্দোজো বুঝিয়ে দিলেন, ফুটবলাররা খেলতে নামার আগে যেন শপথ নিয়েছিলেন। তিন পয়েন্ট না নিয়ে মাঠ ছাড়বেন না।
“রেজাল্ট বলে দিচ্ছে আমরা কেমন খেলেছি। ম্যাচটা আমাদের কাছে খুব ভাইটাল ছিল। প্রথম ম্যাচে পয়েন্ট নষ্ট হয়েছে। তার উপর ভাল খেলতে পারিনি। সেই কারণে এই ম্যাচ জেতার ব্যাপারে ফুটবলাররা মনে মনে যেন শপথ নিয়েছিল। তারা না জিতে মাঠ ছাড়তে রাজি নয়। সেই কারণে আমরা ভাল খেলে তা প্রমাণ করে দিতে পারলাম।” নৈহাটি স্টেডিয়ামে কালিঘাট স্পোর্টস লাভার্সকে হারিয়ে একটানা কথাগুলো বলে গেলেন কার্দোজো। কালিঘাটের ডিফেন্সকে যে গুছিয়ে তোলার সুযোগ দিচ্ছিলেন না তাও জানিয়ে দেন মোহনবাগান কোচ। সেই সঙ্গে তঁার মনে হয়েছে, পুরো দল যথেষ্ট ভাল খেলেছে। এক বা দুজন নয়। পুরো দলকে তিনি বাহবা দিতে চান।

বৃহস্পতিবার নৈহাটি স্টেডিয়ামে খুদে মোহনবাগানিকে কঁাধে বসিয়ে খেলা দেখছেন এক সমর্থক।
দলের অধিনায়ক সন্দীপ মালিকের ভূয়সী প্রশংসা করলেন কার্দোজো। তিনি মনে করছেন, খেলাকে নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষেত্রে সন্দীপের জুড়ি মেলা ভার। “কখন খেলাকে ধীরলয়ে নিয়ে যেতে হবে। কখন খেলায় গতি বাড়াতে হবে। এসব ভালমতো নিয়ন্ত্রণ করতে পারে সন্দীপ। প্রথম গোলটা খুব বুদ্ধিমানের সঙ্গে করে গেল। সবচেয়ে বড় কথা চারটে গোল পরিশ্রমের ফসল বলতে পারেন। কষ্টার্জিত ছিল প্রত্যেকটা গোল। বলতে পারেন, প্রস্তুতির ফসল ফলিয়েছে ছেলেরা।”কলকাতা লিগকে ডেভলাপমেন্টাল হিসেবে শুধু দেখতে চান কার্দোজো ঠিকই। তাই বলে ম্যাচ থেকে হারিয়ে যাবে দল তাও মানতে পারছেন না কোচ।

গোল করার পর দুই সতীর্থর আলিঙ্গন।
বৃহস্পতিবার কলকাতা লিগের অন্যান্য ম্যাচে কালিঘাট এমএস ১-১ গোলে ড্র করেছে কাস্টমসের সঙ্গে। রেলওয়ে এফসি ২-১ গোলে হারিয়েছে পুলিশ এসিকে। অন্য ম্যাচে পাঠচক্রের কাছে ২-০ গোলে হেরে বসেছে জর্জ টেলিগ্রাফ।
মহামেডানকে শাস্তি
আবার মহামেডানের বিরুদ্ধে ফুটবলার নথিভুক্ত করা যাবে না বলে নির্দেশ এলো। বিদেশি ফুটবলার কাসিমভের প্রাপ্য অর্থ এখনও বাকি। তাই মহামেডানকে জানিয়ে দেওয়া হল, যতদিন না কাসিমভের পাওনা অর্থ না মেটানো হচ্ছে ততদিন নতুন কোনও ফুটবলার নথিভুক্ত করতে পারবে না মহামেডান। অথচ লিগের খেলা শুরু করছে। সত্যি কী অবর্ণনীয় দশা সাদা-কালো শিবিরের। দেনার দায়ে পুরো ক্লাব এখন অথৈ জলে।







