দিল্লি ক্যাপিটালস: ৩ উইকেটে ১৯৯ (২০ ওভার)
গুজরাট টাইটান্স: বিনা উইকেটে ২০৫ (১৯ ওভার)
আইপিএলের মাঝে ভারতীয় দলের ইংল্যান্ড শপর নিয়ে ভাবনা চিন্তা চলছে নির্বাচকদের মধ্যে। রোহিত শর্মা নেই। নেই বিরাট কোহলি। তাঁদের জায়গা কাঁরা নেবেন, এ নিয়ে তর্ক বিতর্ক চলছে। তবে মোটামুটিভাবে কয়েকটি নাম হয়তো লেখা হয়ে গিয়েছে। একজন সাই সুদর্শন। তামিলনাড়ুর ওপেনার সুদর্শন আইপিএলে গত চারবছর ধরে ভাল পারফর্ম করছেন। বিশেষ করে গতবছর থেকে তাঁকে বেশি করে চোখে পড়েছে। পাঁচশোর উপর রান করেছেন। শুধু আইপিএল নয়, ঘরোয়া ক্রিকেটেও সুদর্শন নিয়মিত পারফর্ম করে এসেছেন। সেই ধারাবাহিকতা ধরে তিনি দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধেও নিজেকে আরও একবার প্রমান করলেন। নির্বাচক প্রধান হয়তো দিল্লি ম্যাচের পর রোহিতের জায়গায় সুদর্শনের নামও লিখে ফেললেন। কখন কীভাবে ব্যাটিং করতে সেটা দেখিয়ে দিলেন গুজরাট টাইটান্সের ওপেনার। শুরুতে নিজেকে ধরে রাখলেন। পাওয়ার প্লে-তেও বোঝা যায়নি ম্যাচটি একপেসশে হবে। কিন্তু ১২ ওভারের পর থেকে দিল্লির বোলাররা হালে পানি পেলেন না। তাই দিল্লির ১৯৯ রানের জবাবে গুজরাট টাইটান্স বিনা উইকেটে ২০৫ রান করে প্লে অফে চলে গেল। ১২ ম্যাচে ১৮ পয়েন্ট। এই জায়গা থেকে অন্য কিছু ভাবার জায়গা নেই। তবু অধিনায়ক শুভমান গিল পরের ম্যাচগুলিতেও নিজেদের ধরে রাখতে চান। হাল ছাড়তে চান না। কারন তিনি জানেন ছন্দ একবার কেটে গেলে তার প্রভাব প্লে অফে পড়তে পারে। উল্টোদিকে দিল্লি ক্যাপিটালসের প্লে অফ খেলা কঠিন হয়ে পড়ল। মঙ্গলবার মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে জিততে না পারলে তারা আইপিএল থেকে ছিটকে যাবে। ১২ ম্যাচে ১৪ পয়েন্টে দাঁড়িয়ে রোহিতরা। একটি ম্যাচ বের করে আনতে পারলে তাদের শেষ চারের খেলা সহজ হয়ে যবে। ধরে নেওয়া যেতে পারে যে গুজরাট টাইটান্স, রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু, পাঞ্জাব কিংস ও মুম্বই ইন্ডিয়ান্স সম্ভবত প্লে অফ খেলবে।
সে তো পরের কথা। তার আগে দিল্লি ম্যাচের কথায় আসা যাক। দিল্লি দুশোর দোরগোড়ায় তাদের রান নিয়ে যেতে পেরেছে রাহুলের অনবদ্য সেঞ্চুরির কারনে। কী অনবদ্য ইনিংস খেললেন কে এল। অপরাজিত ১১২ রানের ইনিংসের সৌজন্যে তিনি টি২০ ক্রিকেটে আট হাজার রানের ক্লাব সদস্য হলেন। ভারতীয় ক্রিকেটে বিরাট কোহলি ২৪৩ ম্যাচে আট হাজার রান করে দ্রুততম ক্রিকেটার হিসেবে নাম তুলেছিলেন। রহুল ২২৪ ম্যাচে সেই লক্ষ্যে ঢুকে পড়লেন। ক্রকেট বিশ্বে ক্রিস গেইল ২১৩ ম্যাচে, বাবর আজ ২১৮ ম্যাচে আট হাজার রানের ক্লাব সদস্য হয়েছেন। রাহুল হলেন তিন নম্বর ক্রিকেটার যিনি এমন কৃতিত্ব অর্জন করলেন। ইংল্যান্ড যাওয়ার আগে রাহুলের ইনিংস দলকে স্বস্তি দেবে। অস্ট্রেলিয়া সিরিজে প্রথম টেস্টে সেঞ্চুরি করে দলকে জিতিয়েছিলেন। আইপিএলে সেঞ্চুরি করে সিরিজের আগে নিজের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে নিলেন। ৬৫ বল খেলে রাহুল ১১২ রানে অপরাজিত থাকলেন।
রাহুলের পাল্টা দিয়ে ৬১ বলে সাই সুদর্শন অপরাজিত ১০৮ রান করে ম্যাচের সেরা হলেন। বলা যায় তাঁর সঙ্গে অধিনায়ক শুভমান গিলের অপরাজিত ৯৩ রান গুজরাটকে সহজ জয়ে এনে দিয়েছেন। দিল্লির কোনও বোলার তাঁদের উপর চেপে বসতে পারেননি। তাই সহজ জয় পেয়ে গুজরাট প্লে অফে চলে গেল।







