দীর্ঘদিন রোগভোগে আক্রান্ত হয়ে চিরতরে ঘুমের দেশে চলে গেলেন প্রখ্যাত ক্রীড়া সাংবাদিক ধীমান দত্ত। তঁার বয়স হয়েছিল ৬৭ বছর। শুক্রবার দুপুরে সল্টলেকের বাসভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। আজকাল সংবাদপত্রের ক্রীড়া সম্পাদক হিসেবে টানা প্রায় ৩০ বছর যুক্ত ছিলেন। তঁার আমলে ক্রীড়া বিভাগ একটা উচ্চতায় পৌছয়। ময়দানে তখন আজকাল পত্রিকার ক্রীড়া বিভাগকে সকলে শেষ কথা বলতো। আসলে প্রখ্যাত সাংবাদিক মুকুল দত্তের ছেলে হলেন ধীমান দত্ত। তাই তঁার রক্তে সংবাদমাধ্যমের একটা চোরাস্রোত বয়ে গিয়েছে। সেইজন্য দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে দেখিয়ে ছিলেন, প্রকৃত অভিভাবক হিসেবে কীভাবে একজন ক্রীড়া সম্পাদকের থাকা উচিত। প্রায় ৩০ বছর সম্পাদক হয়ে থাকলেও কখনও তিনি বিদেশে কিংবা বর্হিরাজ্যে কভার করতে যাননি। স্রেফ সম্পাদকের চেয়ারে বসে নিঃশব্দে কাজ করে গিয়েছেন। তঁার হাত ধরে প্রচুর তরুণ ক্রীড়া সাংবাদিক উঠে এসেছেন। তিনি দেখিয়ে ছিলেন, কীভাবে একটা বিভাগকে পরিবারের অঙ্গ হিসেবে তুলে ধরতে হয়। তাছাড়া তঁার বিভাগের কর্মীদের বক্তব্য থাকতো শেষ কথা। কখনও তিনি ময়দানে ওঠা গুঞ্জনকে পাত্তা দিতেন না। বরং বলতেন, তঁার রিপোর্টাররা যে খবর দিচ্ছে সেটাই সত্যি। অফিস আর বাড়ি, এই ছিল তঁার গত ৩০ বছর ধরে চলা জীবনের একটা গন্ডি। এর বাইরে তিনি কখনও বর্হিজগত দেখার প্রয়োজন মনে করেননি। নিয়মানুবর্তিতার যদি প্রকৃত দৃষ্টান্ত তুলে ধরতে হয় তাহলে ধীমান দত্ত হবেন তঁার প্রকৃত উদাহরণ। তরুন-তুর্কিদের হাতে-কলমে শেখাতেন। বোঝাতেন একটা রিপোর্টারের আসল কাজ কী। তঁার প্রয়াণে আজকাল পত্রিকার সঙ্গে ময়দানে নেমে আসে শোকের ছায়া। সকলের একটাই বক্তব্য ছিল, এমন মানুষ চলে যাওয়ায় ময়দানে নেমে আসবে বিশাল শূন্যতা। যা কখনও পূরণ হওয়ার নয়।

পদপিষ্ট হওয়া ১১ সমর্থকের জন্য আজীবন আসন সংরক্ষন RCB-র
Shareগতবছরের সেই ভয়াবহ ঘটনার পর এই প্রথমবার আইপিএলের(IPL) ম্যাচ আয়োজন করতে চলেছে এম চিন্নাস্বামী স্টেডিয়াম। কিন্তু এই মাঠে ম্যাচে নামার






