২৮ বছর পর সিকিম গভনর্স গোল্ড কাপে খেলতে যাচ্ছে ইস্টবেঙ্গল। শেষবার তারা এই টুর্নামেন্টে খেলেছিল ১৯৯৭-এ। ভাইচুং ভুটিয়া, রেনেডি সিং, বাসুদেব মন্ডল, তুষার রক্ষিত, দুলাল বিশ্বাস সমৃদ্ধ লাল-হলুদ সেবার ফাইনালে হেরে রানার্স হয়েছিল নেপালের আমফা একাদশের বিরুদ্ধে।
এবার সিকিম গভনর্স গোল্ড কাপ হবে ১৬ থেকে ২৯ নভেম্বর, গ্যাংটকের পালজোড় স্টেডিয়ামের কৃত্রিম ঘাসের মাঠে। ইস্টবেঙ্গল ছাড়াও এবার এই টুর্নামেন্টে খেলবে আই-লিগ চ্যাম্পিয়ন ইন্টার কাশী, টুর্নামেন্টের গতবারের চ্যাম্পিয়ন নর্থ-ইস্ট ইউনাইটেড এফসি, ডায়মন্ড হারবার এফসি, রাজস্থান ইউনাইটেড, নেপালের চার্চ বয়েজের মত প্রথম সারির দলগুলো।
সিকিম ফুটবল সংস্থার প্রেসিডেন্ট মেনলা এথেনপা প্যারালাল স্পোর্টসকে ফোনে বললেন, “গোটা সিকিম উত্তেজিত ইস্টবেঙ্গলের অংশ নেওয়ার খবরে। ২৮ বছর আগে ওরা এই টুর্নামেন্টে ফাইনালে হেরে রানার্স হয়েছিল। এবার প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, ইস্টবেঙ্গল আইএসএলের দল পাঠাবে।” মেনলা জানালেন, ন’বারের গভনর্স গোল্ড কাপ চ্যাম্পিয়ন মোহনবাগানকেও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। “আমাদের আমন্ত্রণপত্রের কোনও জবাব মোহনবাগান দেয়নি, বললেন মেনলা।
সিকিম ফুটবল সংস্থার পরিকল্পনা, ২৯ নভেম্বরের ফাইনালের জন্য সুনীল ছেত্রী আর আশালতা দেবীকে আমন্ত্রণ জানানোর। “সুনীল ছেত্রী গতকাল ইঙ্গিত দিয়েছেন ক্লাব ফুটবল থেকেও এবার তিনি অবসর নেওয়ার কথা ভাবছেন। আশালতা দেবীকে সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন পরের বার্ষিক সাধারণ সভার পর সংবর্ধ্বনা দেবে। তাও ওরা দুজনে যদি ফাইনালে আসেন তাহলে ওদের দুজনকে ভাল করে সংবর্ধ্বনা দেওয়ার পরিকল্পনা আছে,” যোগ করলেন সিকিম ফুটবল সংস্থার প্রেসিডেন্ট। আশালতা দেবী ভারতের একমাত্র মহিলা ফুটবলার যিনি দেশের হয়ে ১০০টি ম্যাচ খেলেছিলেন।







