ইস্টবেঙ্গলে(Eastbengal) ক্লাব বনাম কোম্পানির দ্বন্দ্ব ক্রমশই যেন বেড়ে চলেছে। মঙ্গলবার ক্লাবের শীর্ষকর্তা দেবব্রত সরকার(Debabrata Sarkar) যখন জানাচ্ছেন যে মুখ্যমন্ত্রীর ছাড়পত্রে তারা যুবভারতীতে বিনামূল্যে ম্যাচ খেলতে পারবে। তার ২৪ ঘন্টাও কাটতে পারেনি, ইস্টবেঙ্গল দল হঠাৎই প্রস্তুতিতে নেমে পড়ল কিশোরভারতী স্টেডিয়ামে(Kishorebharati Stadium)। শুধু তাই নয় ম্যাচ কমিশনার এদিন কিশোরভারতী(Kishorebharati Stadium) পর্যবেক্ষণও করে গেলেন। আর তাতেই যেন জল্পনা আরও তুঙ্গে পৌঁছেছে।
কয়েকদিন আগেই আইএসএলের সূচী ঘোষণা হয়েছে। সেখানেই স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে যে ইস্টবেঙ্গল(Eastbengal) খেলবে এবার কিশোরভারতী স্টেডিয়ামে। যুবভারতীর কথা ক্লাব কর্তারা বললেও, শেষপর্যন্ত খরচের কথা মাথায় রেখেই কোম্পানি চলে গিয়েছিল কিশোরভারতীতেই। ফেডারেশনকে সরকারীভাবে তা জানিয়েও দেওয়া হয়েছিল। যদিও ক্লাব কর্তারা এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে একেবারেই সহমত ছিলেন না। কিশোরভারতীতে ম্যাচ হলে, ম্যাচ বয়কটের ডাকও দিয়েছিলেন ইস্টবেঙ্গলের ক্লাব কর্তারা।
এরপরই মঙ্গলবার সাংবাদিক সম্মেলন করে দেবব্রত সরকার জানিয়েদিয়েছিলেন যে মুখ্যমন্ত্রী তাদের আবেদনে সাড়া দিয়ে যুবভারতীতে বিনামূল্যে খেলার ছাড়পত্র দিয়ে দিয়েছেন। কিন্তু তারপরও কিশোরভারতীতে কেন ইস্টবেঙ্গল দল? তবে কী ক্লাবের কথা তারা শুনবেন না ঠিকই করে ফেলেছেন।
কারণ বুধবার দুপুরেই ইস্টবেঙ্গলের হোমগ্রাউন্ড হিসাবে কিশোরভারতী পর্যবেক্ষণ করতে এসেছিলেন ম্যাচ কমিশনার। সেইসঙ্গে কিশোরভারতীতেই আবার প্রস্তুতিও সারল লাল-হলুদ ব্রিগেড। আর এই ছবি দেখার পর তো প্রশ্ন ওঠাটাই স্বাভাবিক। তবে কী ক্লাবের কথা কানেই তুলছেন না কোম্পানি কর্তারা।
ক্লাব থেকে বলা হলেও, আদৌ কী ইস্টবেঙ্গল যুবভারতীতে খেলবে। এই নিয়েই তো এখন জল্পনা তুঙ্গে পৌঁছেছে। শেষপর্যন্ত কী হয় সেটা তো সময়ই বলবে।







