শুরুটা দুরন্তভাবে করলেও দ্বিতীয় ম্যাচেই চ্যাম্পিয়নদের কাছে আটকে গেল ইস্টবেঙ্গলের মহিলা দল(Eastbengal Womens Team)। এই ম্যাচে ড্র করতে পারলেই পরের রাউন্ডের ছাড়পত্র যোগার করে ফেলতে পারত ইস্টবেঙ্গলের মহিলা দল(Eastbengal Womens Team)। কিন্তু উহানের বিরুদ্ধে সেভাবে কোনওরকম আক্রমণের ঝড়ই তুলতে পারল না মশাল গার্লসরা। ২-০ গোলে উহানের(Wuhan) কাছে হারল লাল-হলুদ ব্রিগেড। পরের ম্যাচটা যে ইস্টবেঙ্গলের(Eastbengal) কাছে কার্যত মরণ-বাঁচন হয়ে গেল তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
প্রথম ম্যাচেই ইরানের বাম খাতুনকে(Bam Khatun) বড় ব্যবধানে উড়িয়ে দিয়েছিল ইস্টবেঙ্গল। এই ম্যাচেও তাদের নিয়ে আশায় বুক বেঁধেছিল সকলে। কিন্তু শুরু থেকেই ছিল উহানের আক্রমণের ঝড়। সেখানে ম্যাচ শুরুর কিছুক্ষণের মধ্যেই এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ এসেছিল উহানের সামনে। যদিও সেযাত্রায় ইস্টবেঙ্গলকে(Eastbengal Womens Team) রক্ষা করেছিল তাদের গোলকিপাপর। তবে সেই স্বস্তি দীর্ঘক্ষণের জন্য ছিল না।
কিছুক্ষণের মধ্যেই সং ফেইয়ের গোলে এগিয়ে যায় উহান। এরপরই ইস্টবেঙ্গল ফের বিপদে। ভিএআর সিদ্ধান্তের জেরে পেনাল্টি পায় উহান। প্রথমার্ধের ২০ মিনিটের ২-০ গোলে এগিয়ে যায় উহান। সেই সময় থেকেই ইস্টবেঙ্গলের ওপর চাপ ক্রমশ বাড়তে থাকে।
প্রথমার্ধে ইস্টবেঙ্গল যে একেবারেই সুযোগ তৈরি করে পারেনি তা নয়। কিন্তু শেষরক্ষা করতে পারেনি তারা। বারবারই আটকে গিয়েছিল প্রতিপক্ষের রক্ষণের কাছে। ম্যাচের একেবারে শেষ লগ্নে ফের একটা সুযোগ তৈরি করেছিল ইস্টবেঙ্গল। কিন্তু এবারও ব্যর্থই হতে হয় তাদের। ০-২ গোলে হেরেই মাঠ ছাড়তে হয় লাল-হলুদের মহিলা ব্রিগেডকে। আগামী ২৩ নভেম্বর উজবেকিস্তানের পিএফসি নাসাফের বিরুদ্ধে নামবে ইস্টবেঙ্গল মহিলা ব্রিগেড। কোয়ার্টার ফাইনালের রাস্তা খোলা রাখতে হলে সেই ম্যাচে জিততেই হবে ইস্টবেঙ্গলকে।







