দর কষাকষিটা চলছিলই। অবশেষে সেটাই হল। সুপার কাপ (Super Cup) শুরু হওয়ার আগেই মাধি তালালকে(Maidh Talal) ছেড়ে দিল ইস্টবেঙ্গল(Eastbengal)। কয়েকদিনের মধ্যেই সরকারী ভাবে ঘোষণা করে দেবে লাল-হলুদ ম্যানেজমেন্ট। বেশ কয়েকদিন ধরেই তাঁর সঙ্গে সমঝোতার রাস্তায় যেতে চাইছিল লাল-হলুদ ম্যানেজমেন্ট। শুরুর দিকে সেভাবে রাজি না হলেও অবশেষে দুই তরফের সমঝোতার মাধ্যেই ইস্টবেঙ্গলের এবং মাধি তালালের(Madih Talal) সম্পর্ক ছিন্ন হল। যদিও এখনই তাঁর জায়গায় কোনও নতুন বিদেশি নিচ্ছে না ইস্টবেঙ্গল।
গত মরসুমে মাধি তালাল ইস্টবেঙ্গলের হয়ে ভালো পারফরম্যান্স দেখালেও মাঝপথে তাঁর চোটটাই সব শেষ করে দিয়েছিল। এসিএল চোট নিয়ে আইএসএল তো বটেই, প্রায় ৯ থেকে ১০ মাসের জন্য মাঠ থেকে ছিটকে গিয়েছিলেন মাধি(Madih Talal)। ফ্রান্সে ফিরেই হয় তাঁর অস্ত্রোপচার। আর সেই থেকেই শুরু হয়ছিল জল্পানাটাও। মাধিকে কী আদৌ ইস্টবেঙ্গল(Eastbengal) পাবে এই মরসুমে। চেষ্টা চালালেও ম্যাচ ফিট হয়ে উঠতে এখনও বেশ কয়েক মাস সময় লাগবে মাধি তালালের। সেইসঙ্গে আবার অস্কার ব্রজোঁর(Oscar Baruzon) নাকি মাধিকে একেবারেই পছন্দ নয়।
মাধি তালালকে(Madih Talal) ছেড়ে দেওয়ার জন্য অস্কার ব্রুজোঁই জানিয়েছিল ইস্টবেঙ্গলকে। কিন্তু তাঁকে সমস্যা হয়েছিল অন্য জায়গাতে। কারণ মাধির সঙ্গে ইস্টবেঙ্গলের চুক্তি ছিল এখনও প্রায় একবছরের কাছাকাছি। তাঁকে ছেড়ে দেওয়ার কথা জানিয়ে প্রাথমিকভাবে ইস্টবেঙ্গল সমঝোতার কথা বললেও, সরাসরি তিনি নাকোচ করে দিয়েছিলেন। এমনকি মাধির বেতনও বেশ কয়েক মাস আটকে রেখেছিল লাল-হলুদ ব্রিগেড।
যদিও পরে তালালের ফিফায় যাওয়ার একটা আশঙ্কার কথা ভেবে বেতন শুরু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। একইসঙ্গে মাধি তালালের সঙ্গে তারা সমঝোতা নিয়েও কথা চালাতে শুরু করেছিল। প্রথম দিকে সেভাবে উত্তর না দিলেও, সূত্রের খবর অবশেষে ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে সমঝোতার রাস্তায় হাঁটার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এই ফরাসি ফুটবলার। আর তাতেই স্বস্তি পেয়েছে ইস্টবেঙ্গল শিবির।
মাধি তালালের সঙ্গে শেষপর্যন্ত সম্পর্ক ছিন্ন করার সিদ্ধান্তটা নিয়েই ফেলল লাল-হলুদ ম্যানেজমেন্ট। তবে এই ফরাসি তারকাকে ছেড়ে দেওয়া হলেও, তাঁর পরিবর্তে কাকে নেওয়া হবে তা নিয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।
হিরোশিকে নেওয়ার পরই ইস্টবেঙ্গলের ছয় বিদেশির জায়গা সম্পূর্ণ হয়ে গিয়েছে। আপাতত সুপার কাপের আগে আর কোনও নতুন বিদেশি নিচ্ছে না লাল-হলুদ শিবির। তবে আইএসএলের আগে কাউকে নেওয়া হবে কিনা সেটা পরে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।







