লা লিগায় চ্যাম্পিয়ন হয়েও ইয়ামালদের সতর্ক করে দিলেন হ্যান্সি ফ্লিক। বার্সেলোনার কোচ ফ্লিক মনে করছেন, এরচেয়েও ভাল পারফরম্যান্স দেখাতে পারত তঁার ছেলেরা। তাই এখানে না থেমে আরও ভাল কিছু করার জন্য এখন থেকেই রাফিনিয়া, তোরেসদের নেমে পড়তে বললেন।
বৃহস্পতিবার রাতে এস্পানিওলকে ২-০ গোলে হারিয়ে লা লিগা তুলে নিয়েছে বার্সা। শুধু লা লিগা নয়, ঘরোয়া যত ট্রফি আছে তাও পেয়েছে বার্সা। যেমন কোপে দেল রে ও স্প্যানিশ সুপার কাপ। হ্যান্সি ফ্লিক এই প্রথম বার্সার দায়িত্ব নিয়ে তিনটে ট্রফি ঘরে তোলায় বার্সার সমর্থকরা কোচকে নিয়েও উচ্ছ্বসিত। ব্যতিক্রম ফ্লিক। তঁার মতে, আরও ভাল করার ক্ষমতা ছিল তঁার দলের। এস্পানিওল ম্যাচের শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে বার্সা কোচ বলেন, “তিনটে ট্রফি জিতেছি, নিঃসন্দেহে খুশির খবর। তবে আমি মনে এই দলের আরও ভাল কিছু করার ক্ষমতা রয়েছে।” আসলে ফ্লিক ভুলতে পারছেন না চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির সেমিফাইনালে বিদায়কে। যেখানে মিলানের কাছে হেরে বিদায় নিতে হয়েছিল ইয়ামালদের। “বার্সা হল এমন একটা দল যেখানে চ্যাম্পিয়ন হওয়া ছাড়া আর কিছু ভাবে না। সেইদিক দিয়ে দেখলে আমরা তিনটে ট্রফি পেলাম, ভাল কথা। কিন্তু বিশ্বাস করুন মিলানের কাছে হেরে যাওয়া আমার কাছে খুব কষ্টদায়ক। সেই কষ্ট এখন ভুলতে হচ্ছে তিনটে ট্রফি জয়ের মধ্যে দিয়ে। নিশ্চয় ফুটবলাররাও সেই দৃষ্টিকোণ থেকে সবকিছু দেখে আনন্দে মাতছে।” ফ্লিক মনে করছেন, বছরের শুরুতে সুপার কাপ জয় তঁাদের দলকে ভাল খেলতে সাহায্য করেছে। “ক্রিসমাস বিরতির পর আমরা জিতে নিলাম সুপার কাপ। এই প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর আমাদের আত্মবিশ্বাস তুঙ্গে পৌছে যায়। প্রত্যেকে তখন মনে করতে থাকে, বিশ্বের যে কোনও দলকে হারানোর ক্ষমতা তাদের আছে। এই আত্মবিশ্বাস থেকে দলের পারফরম্যান্সে উন্নতি ঘটতে থাকে। ফ্রেঙ্কি থেকে শুরু করে দলের অনেকে আছে যারা এবার নিজেদের দারুন উন্নত করতে পেরেছে। একজন কোচ হিসেবে দলের ফুটবলারদের উন্নতি ঘটলে নিশ্চয় ভালো লাগে। এই জায়গায় আমি দারুন খুশি।” বার্সা কোচ স্বীকার করে নিয়েছেন, মাঠের মধ্যে ফুটবলাররা জয়ের উত্্সবে মেতে উঠুক তা চাইছিলেন না। কেন চাননি তার জবাবও দিয়েছেন তিনি, “গতবার এস্পানিওল মাঠে বিশ্রি ঘটনা ঘটেছিল তাই ফুটবলারদের বলেছিলাম চ্যাম্পিয়ন হওয়ার জন্য তোমরা যাই কর না কেন, মাঠে করতে যেও না। ড্রেসিংরুমে গিয়ে করতে পার।”
এস্পানিওল কোচ মানোলো গঞ্জালেজ আদৌ খুশি হতে পারছেন না। বিশেষ করে ৮০ মিনিটের মাথায় লিয়ান্দ্রো ক্যাবরেরাকে লালকার্ড দেখানো রেফারির উচিত হয়নি বলেন মনে করছেন এস্পানিওল বস। “মনে করছি ফুটবলকে ধ্বংস করা হচ্ছে। নাহলে এভাবে ক্যাবরেরাকে লালকার্ড দেখানোর কোনও মানে ছিল না। ইয়ামালকে সে কনুই চালিয়ে মোটেই বড় আঘাত করতে চায়নি। চায়নি তাকে মারাত্মক ভাবে মেরে মাঠ থেকে বের করে দিতে। মুখে যেমন আঘাত করেনি, আবার কড়া ট্যাকেলও করতে যায়নি। আমি খেলার আগে বলেছিলাম, ইয়ামাল যেন ডাইভিং করতে না পারে। যেভাবে হোক বন্ধ করে দিও।” গঞ্জালেজ এও মনে করছেন, ২-০ গোলে হারার মতো দল খেলেনি। তঁার ধারণা, শুরুতে গোল পেয়ে গেলে খেলার ফল অন্যরকম হতে পারত। ম্যাচের গতিপ্রকৃতি অনুযায়ী তিনি মনে করছেন, ড্র হওয়া ছিল বাঞ্ছনীয়।

প্রেম দিবসে মোহনবাগান সমর্থকদের বিশেষ উপহার দিতে চান দিমিত্রি
Share১৪ ফেব্রুয়ারি প্রেম দিবস। সেই দিনই আবার কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে আইএসএলের প্রথম লড়াইয়ে নামছে মোহনবাগান সুপারজায়ান্ট(MBSG)। সেই ম্যাচে নামার জন্য






