ভারতের অনূর্ধ্ব-২০ মহিলা ফুটবল দলও সিনিয়র দলের মত ইতিহাসের সামনে দাঁড়িয়ে। ইয়ং টাইগ্রের্স নামে পরিচিত এই দলও ২০২৬-এর এএফসি অনূর্ধ্ব-২০ এশিয়ান কাপের মূলপর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন করবে যদি আজ, রবিবার তারা কোয়ালিফায়ারে মায়ানমারকে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে হারায়।
মূলপর্বে উঠতে পারলে, ২০০৬-এর ১৯ বছর পর অনূর্ধ্ব-২০ এশিয়ান কাপের মূলপর্বে মেয়েরা খেলবে সিনিয়র দলের মত। গ্রুপ ডি-তে ভারত এবং মায়ানমার উভয় দলই সমান ৪ পয়েন্ট নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে, তবে ভারত তাদের উন্নত গোল পার্থক্যের কারণে টেবিলের শীর্ষে রয়েছে। এই ম্যাচটি নির্ধারণ করবে কে গ্রুপের শীর্ষে থেকে থাইল্যান্ডে অনুষ্ঠিতব্য প্রধান টুর্নামেন্টে জায়গা করে নেবে, কারণ শুধুমাত্র গ্রুপের প্রথম দলই কোয়ালিফাই করবে।
ইয়াঙ্গুনের থুওয়ান্না স্টেডিয়ামে শনিবারের ট্রেনিং-এর পর, ভারতের অধিনায়ক শুভাঙ্গী সিং বলেছেন, “সিনিয়র দলের সাফল্য আমাদের অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে। আমরা জানি এই ম্যাচটি জিততে হবে। আমরা কোনও চাপ অনুভব করছি না, বরং আমরা সম্পূর্ণ প্রস্তুত।”
ইয়ং টাইগ্রেসরা গ্রুপ পর্বে এখনও পর্যন্ত মিশ্র ফলাফল দেখিয়েছে। ইন্দোনেশিয়ার বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচে তারা গোলশূন্য ড্র নিয়ে মাঠ ছাড়ে, যা কিছুটা হতাশার কারণ হয়েছিল। তবে, তুর্কমেনিস্তানের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় ম্যাচে তারা ৭-০ গোলের বিশাল জয় ছিনিয়ে নিয়ে নিজেদের শক্তি প্রমাণ করে। এই ম্যাচে সুলঞ্জনা রাউল এবং শুভাঙ্গী সিং দুটি করে গোল করেন, যা দলের আক্রমণাত্মক ক্ষমতার প্রমাণ। তবে, তুর্কমেনিস্তানের দুর্বল প্রতিরক্ষার বিরুদ্ধে এই জয় এসেছে, তাই মায়ানমারের মতো শক্তিশালী দলের বিরুদ্ধে ভারতকে আরও সতর্ক থাকতে হবে।
মায়ানমার শক্তিশালী প্রতিপক্ষ। তারা তুর্কমেনিস্তানের বিরুদ্ধে ৬-১ গোলের জয় দিয়ে কোয়ালিফায়ার শুরু করে এবং ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে ২-২ গোলে ড্র করে। তাদের আক্রমণভাগ, বিশেষ করে এল থেট ফিও, অসাধারণ ফর্মে রয়েছে। প্রথম ম্যাচে তিনি চারটি গোল করেছেন, যা তাকে টুর্নামেন্টের শীর্ষ গোলদাতার তালিকায় নিয়ে গেছে। তবে, ভারতের শক্তিশালী প্রতিরক্ষার সামনে তাকে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হবে, কারণ ভারত এখনও পর্যন্ত মাত্র একটি গোল হজম করেছে। মায়ানমারের জন্য এই ম্যাচটিও সমান গুরুত্বপূর্ণ, কারণ জয় ছাড়া তাদের কোয়ালিফিকেশনের স্বপ্ন ভেঙে যাবে।







