ঈশান কিষাণের(Ishan Kishan) ঝোড়ো ইনিংসটাই রাস্তাটা তৈরি করে দিয়েছিল। পাকিস্তানকে(Pakistan) হেলায় হারিয়ে টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপে(T20 World Cup) জয়ের ধারা অব্যহত রাখল ভারত(India)। কলম্বোর মাটিতে পাকিস্তানকে ৬২ রানে হারিয়ে শেষ আটে নিজেদের জায়গা একেবারে পাকা করে ফেলল টিম ইন্ডিয়া(India)। সেইসঙ্গে পরিসংখ্যানের বিচারে পাকিস্তানের সঙ্গে ব্যবধানটাও আরও অনেকটা বাড়িয়ে ফেলল টিম ইন্ডিয়া। বাকযুদ্ধে পাকিস্তান উত্তেজনার পারদ চড়ালেও, বাইশগজের লড়াইয়ে ভারতের সামনে মাথা তুলে দাঁড়াতেই পারল না। বিশেষ করে ব্যাটিংয়ে ঈশান কিষাণের তোলা ঝড়টাই ভাগ্য লিখন করে দিয়েছিল। সেইসঙ্গে বল হাতে হার্দিক, বুমরাহ থেকে অক্ষর, বরুণরাও ছিলেন বিধ্বংসী মেজাজে।
টস জিতে ভারতকে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সুযোগ দিয়েছিল পাকিস্তান। স্পিন সহায়ক পিচে শুরু থেকেই ভারতের বিরুদ্ধে স্পিনের আক্রমণ সাজিয়েছিল পাকিস্তান। শুরুতে অভিষেক শর্মাকেও তুলে নিয়েছিল তারা। কিন্তু ঈশান কিষাণ ছিলেন বিধ্বংসী ফর্মে। তাঁর একের পর এক বড় শটে কার্যত নাজেহাল হয়ে যায় পাকিস্তান বোলিং আক্রমণ। ২৭ বলে অর্ধশতরান করে ফেলেন তিনি। শেষপর্যন্ত ৪০ বলে ৭৭ রানের ইনিংস খেলেই সাজঘরে ফিরতে হয় ঈশান কিষাণকে(Ishan Kishan)।
সেই সময় হাল ধরেন তিলক বর্মা এবং সূর্যকুমার যাদব। যদিও তাদের রানের গতি খানিকটা কম ছিল। তিলক ফেরেন ২৫ রানে এবং সূর্য ফেরেন ৩২ রানে। মাঝে হার্দিক পান্ডিয়াকে শূন্য রানেই থামতে হয়। সেই সময় শিবম দূবে এবং রিঙ্কুর ঝোড়ো ইনিংসের সৌজন্যে ভারত পৌঁছয় ১৭৫ রানে। টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারত বনাম পাকিস্তান ম্যাচে এটাই সর্বোচ্চও।
পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইনআপের শুরু থেকেই চাপে ফেলতে থাকে ভারতীয় দল। প্রথম ওভারই হার্দিক পান্ডিয়া দেন মেডেন। সেইসঙ্গে সাজঘরে ফেরান শাহিবজাদাকে। পরের ওভারেই বুমরার শিকার আয়ূব। কিছুক্ষণের মধ্যেই অধিনায়ক সালমাল আলি আঘাকেও বুমরাই সাজঘরে ফেরান। ৩৪ রানের মধ্যেই পাকিস্তানের টপ অর্ডার থেকে মিডল অর্ডারকে শেষ করে দেয় ভারতীয় বোলাররা।
এরপর সময় যত এগোতে থাকে ততই ভয়ঙ্কর হয়ে উঠতে থাকেন ভারতীয় বোলাররা। হার্দিকের পাশাপাশি বরুণ, অক্ষররাও জোড়া উইকেট তুলে নেন। ভারতীয় স্পিনারদের কোনও জবাবই এদিন ছিল না পাক ব্যাটারদের কাছে। শেষপর্যন্ত ১১৪ রানেই থেমে যেতে হয় পাকিস্তানকে।






