সেনাবাহিনীর পর বাইশগজেও পাকিস্তানকে জবাব দিল ভারত(Indian Cricket Team)। এশিয়া কাপের(Asia Cup) মঞ্চে পাকিস্তানকে(Pakistan) বিধ্বস্ত করে এগিয়ে চলল ভারত(India)। কুলদীপ(Kuldeep Yadav), অক্ষরদের(Axar Patel) দাপুটে বোলিংয়ের সৌজন্যে সাত উইকেটে জয়ী ভারত। বাইশ গজে এ যেন সূর্যদের আরেকটা অপারেশন সিঁদুর। আর তাতেই পাকিস্তান ফের একবার ক্ষত বিক্ষত। পহেলগাম(Pahelgam) ঘটনায় প্রয়াতদের যেন আবারও একটা শ্রদ্ধার্ঘ জানালেন ভারতীয় দলের ক্রিকেটাররা। আবার পাকিস্তানের সঙ্গে যে কোনও সম্পর্ক নয়, সেটাও বুঝিয়ে দিলেন সূর্যকুমার যাদবরা(Suryakumar Yadav)। ম্যাচের শুরু থেকে শেষ, প্রতিপক্ষ ক্রিকেটারদের সঙ্গে হাতও মেলালেন না ভারতীয় দলের ক্রিকেটাররা।
পহেলগাম ঘটনার পর এটাই ছিল দুই দলের প্রথম সাক্ষাত ক্রিকেটের বাইশগজে। এই ম্যাচে ভারতের খেলা নিয়েও অনেকেই আপত্তি জানাচ্ছিলে। উঠেছিল বয়কটের ডাক। আসলে ভারতীয় দল চেয়েছিল পাকিস্তানকে হারিয়ে আবারও একটা জবাব দিতে। কুলদীপ(Kuldeep Yadav), অক্ষরদের(Axar Patel) হাত ধরে সেটাই একেবারে নিখুঁতভাবে করল টিম ইন্ডিয়া। সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর মাঠে একেবারে একপেশে লড়াইয়ে পাকিস্তান বধ সম্পূর্ণ করল টিম ইন্ডিয়া।
টস জিতে পাকিস্তান অধিনায়কের প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত। ভারতের বিরুদ্ধে বড় রানের পরিকল্পনা নিয়েছিল তারা। কিন্তু ভারতীয় বোলিং লাইনআপের সামনে পাক ব্যাটাররা ছিলেন একেবারেউই অসহায়। শুরু থেকেই বিধ্বংসী মেজাজে ছিল টিম ইন্ডিয়া(Team India)। প্রথম ওভারেই হার্দিকের(Hardik Pandya) উইকেট। এরপর বুমরার(Jasprit Bumrah) ধাক্কা। ৬ রানের মধ্যে ২ উইকেট হারিয়ে পাকিস্তান তখন থেকেই চাপে পড়ে গিয়েছিল। যদিও ফখর জামন একটা চেষ্টা করেছিলেন লড়াইয়ে ফেরার। কিন্তু ভারতের এই বোলিং লাইনআপের সামনে সব চেষ্টাই ব্যর্থ হয়।
2⃣ wins on the bounce for #TeamIndia! 🙌
A dominating show with bat & ball from Surya Kumar Yadav & Co. to bag 2 more points! 👏 💪
Scorecard ▶️ https://t.co/W2OEWMTVaY#AsiaCup2025 pic.twitter.com/hM7iin7AAq
— BCCI (@BCCI) September 14, 2025
পাওয়ার প্লে শেষ হতেই মাঠে শুরু কুলদীপের(Kuldeep Yadav) স্পিনের জাদু। আর তাতেই একে একে শাহিবজাদা, হাসান নওয়াজরা সাজঘরে ফেরেন। সেইসঙ্গে অক্ষর পটেল(Axar Patel) তুলে নেন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উইকেট ফখর জমনকে। পাকিস্তানের বড় রানের সমস্ত আশা শেষ। ১২৭ রানেই থামতে হয় পাক বাহিনীকে।
ভারতের তরুণ ওপেনার অভিষেক শর্মা শাহিনকে কী সামলাতে পারবেন। এই প্রশ্নই তখন ঘুরপাক খাচ্ছিল। জবাবটা মাঠে নেমে শাহিনের প্রথম দুই বলেই দিয়ে দিলেন অভিষেক। প্রথম বলে চার। পরের বলই একেবারে ওভার বাউন্ডারি। পাক বোলিং নিয়ে এদিন ভারতীয় ব্যাটারদের চোখে মুখে চিন্তার কোনওরকম ছাপই ছিল না। অভিষেক অবশ্য ১৩ বলে ৩১ রানের ঝোরো ইনিংস খেলে সাজঘরে ফেরেন। গিল এদিনও বড় রান করতে ব্যর্থ। যদিও ভারতের জিততে কোনওরকম অসুবিধাই হয়নি। সূর্যকুমার যাদবের অপরাজিত ৪৭ রান এবং তিলক বর্মার ৩১ রানের ভর করে চার ওভার বাকি থাকতেই ম্যাচ জিতে নেয় টিম ইন্ডিয়া।







