রবিবার গোটা শহর ছিল ম্যাথুজ(Lothar Matthaus) ময়। ৯০ এর বিশ্বকাপ জয়ী দুর্ধর্ষ জার্মান অধিনায়র লোথার ম্যাথুজ(Lothar Matthaus) ফুটবল মাঠ তো বটেই, ঘুরে বেড়ালেন হকি স্টেডিয়ামেও। বেটন কাপের(Beighton Cup) ফাইনাল যেমন দেখলেন, তেমনই আবার কলকাতা লিগ জয়ী ইস্টবেঙ্গল ফুটবলারদের হাতে তুলে দিলেন পুরস্কার। কলকাতার ফুটবল প্রেমিদের নিয়ে আপ্লুত। তেমনই আবার ভারতীয় ফুটবল নিয়ে দিলেন বিশেষ পরামর্শও। বিএসএলের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর। ভারতীয় ফুটবলের ভবিষ্যত্ প্রজন্মের জন্য এমন প্রতিযোগিতা যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
বেটন কাপের ফাইনালে খানিক্ষণ দেরীতে পৌঁছন তিনি। কিন্তু সেখানেই মন দিয়ে লোথার ম্যাথুজ(Lothar Matthaus) দেখলেন শতাব্দী প্রাচীন এই প্রতিযোগিতা। হকি খেলোয়াড়দের হাতে তুলে দিলেন পুরস্কারও। ম্যাথুজের উপস্থিতিতেই আপ্লুত সকলে।

গ্রাসরুটের ফুটবলারদের তুলে আনার জন্যই বেঙ্গল সুপার লিগের ভাবনা। সেই উদ্যোগেরই ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর লোথার ম্যাথুজ। একইসঙ্গে কেপ ভার্দের উপমা দিয়ে ভারতীয় ফুটবলের ভবিষ্যত্ নিয়েও দিলেন বিশেষ পরামর্শ। তিনি জানান, “কেপ ভার্দেকে দেখুন। তারা ২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপের জন্য যোগ্যতা অর্জন করে ফেলেছে। তাদের দেশর লোক সংখ্যা তো মাত্র ৫ লক্ষ। আমাকে নিশ্চই আপনারা এটা বলবেন না যে কেপ ভার্দের থেকে ভারতের প্রতিভার সংখ্যা কম। গ্রাসরুট পর্যায়ে বিশেষ নজর দিতে হবে। ফেডারেশন, সরকার, অ্যাকাডেমি এবং ক্লাব গুলোকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে”।
তিনি আরও বলেন, “যখন একেবারে ছোট বয়সেই ভালো কোচ পাওয়া যাবে। এবং ১৮ বছর অতিক্রম করলেই তখন দেশ একজন ভালো ফুটবলারকে পাবে”।
এদিন আইএফএ-র বার্ষিক পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন লোথার ম্যাথুজ। তাঁর হাত দিয়েই পুরস্কার উঠল বিনো জর্জের দলের হাতে। একইসঙ্গে এদিন তিনি বেটন কাপের ফাইনালেও গিয়েছিলেন। দেখলেন হকি খেলা। এমন ক্রীড়াপ্রেমী পরিবেশ দেখে আপ্লুত বিশ্বকাপ জয়ী কিংবদন্তী লোথার ম্যাথুজ। তাঁর হাত দিয়েই পুরস্কার উঠল ফাইনালের জয়ীদের হাতে। হকি খেলোয়াড়দের সঙ্গেও সময় কাটালেন কিছুক্ষণ।
কিন্তু সেখানেও সেই মেসি, রোনাল্ডোর তুলনা তাঁর সামনে। সরাসরি না বললেও, সেই মেসিকেই এগিয়ে রাখলেন লোথার ম্যাথুজ। একইসঙ্গে এদিন সকালে







