মহামেডান-২ (লালচঁাদকিমা, সাকা) কলকাতা পুলিশ-২ (রাহুল, সন্দীপ)
তিন প্রধানের এক প্রধান প্রথম ম্যাচে হেরেছিল। আর এক প্রধান ২-২ গোলে ড্র করল। দু-বার এগিয়ে গিয়েও শেষ পর্যন্ত তিন পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়তে ব্যর্থ মহামেডান। লালচঁাদকিমা, সাকা হলেন সাদা-কালো ব্রিগেডের গোলদাতা। অন্যদিকে পুলিশের পক্ষে গোলগুলি করেন রাহুল নস্কর ও সন্দীপ ওঁরাও। প্রথম দুটো ম্যাচে হেরেছিল পুলিশ। তৃতীয় ম্যাচে এক পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়ল পুলিশ।
খেলতে নামার ২৪ ঘন্টা আগে ফিফার কড়া বার্তা। নতুন কোনও ফুটবলার নথিভুক্ত করা যাবে না। কোটি কোটি টাকা দেনা। এদিক-ওদিক থেকে ফুটবলার এনে দঁাড় করানো দল গড়েছে মহামেডান। এমন পরিস্থিতিতে দলের খেলা কেমন হতে পারে একবার ভেবে দেখুন। উদ্দেশ্যবিহীন খেলা চললো ৯০ মিনিট। মানতে হচ্ছে কাদার মাঠ। ভারী মাঠে খেলা সহজ কথা নয়। তার উপর আবার ব্যারাকপুরের মাঠ। যে মাঠ এমনিতেই একটু বালির ভাগ বেশি। মহামেডানকে কোনও সময়ের জন্য মনে হল না গোল পাওয়ার জন্য বাড়তি তাগিদ ছিল কারও মধ্যে। গোল করতে গেলে প্রতিপক্ষের বক্সে ম্যান বাড়াতে হয়। সেই ম্যান বাড়ানোর ক্ষেত্রেও অসফল সাদা-কালো ব্রিগেড। লিগের প্রথম ম্যাচ। তারজন্য একটা সমস্যা থাকতেই পারে। নাহলে বলতে হচ্ছে, বোঝাপড়ার বড্ড অভাব। এতসব প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও দুবার এগিয়ে গিয়েও ম্যাচটা জিতে মাঠ ছাড়তে পারল না মহামেডান। খেলার শুরুতে লালচঁাদকিমা গোল করে দলকে এগিয়ে দিয়েছিলেন। পরে রাহুল নস্কর সেই গোল পরিশোধ করে দেন। সাকা ফের গোল করে মহামেডানকে এগিয়ে দেন। বিরতির সময় ২-১ গোলে এগিয়ে ছিল মহামেডান। বিরতির পর কলকাতা পুলিশকে অনেক বেশি উজ্জীবিত দেখায়। সন্দীপ ওঁরাও ৫৫ মিনিটে গোল করে পুলিশ বাহিনিকে সমতায় ফিরিয়ে আনেন।
ম্যাচটা ড্র করে হারার হ্যাটট্রিকের লজ্জা থেকে রেহাই পেল পুলিশ। এক পয়েন্ট নিয়ে সন্তুষ্ট থাকতে হল কোচ বিজয় ঘোষের ছেলেদের। পুলিশ ছোট ছোট পাশ খেলে আক্রমণে ওঠার চেষ্টা করে গিয়েছে। বৃষ্টি ভেজা মাঠে ছোট পাশে খেলা যায়না। লংপাশে খেলতে হয়। পুলিশ-মহামেডান কেউ তেমন খেলার চেষ্টা করেনি। বঁা দিক থেকে পুলিশ বেশিরভাগ আক্রমণ শানিয়েছে। উদ্দেশ্য ছিল সন্দীপ ওঁরাও। মহামেডান যেমন মাঝমাঠে খেলা তৈরি করতে পারেনি। অন্যদিকে পুলিশও তাই। দুটো দলের খেলায় কোনও সময়ের জন্য দৃষ্টিনন্দন হলনা। শেষ অবধি খেলা শেষ হয় ২-২ গোলে। দুটো দলের কাছে এমন আবহাওয়ার মধ্যে এক পয়েন্ট পাওয়া খুব খারাপ বলা যেতে পারে না।







