সের্জিও লোবেরার কোচিংয়ে আইএসএলে শুরুটা জয় দিয়েই করস মোহনবাগান সুপারজায়ান্ট(MBSG)। তবে বহু সুযোগ নষ্ট না করলে, গোলের ব্যবধানটা বড় হতেই পারত। যদিও শেষপর্যন্ত কেরালা ব্লার্টার্সের বিরুদ্ধে ২-০ গোলেই ম্যাচ জিততে হল সবুজ-মেরুন ব্রিগেডকে(MBSG)। প্রথম গোল জেমির। আর একেবারে শেষ মুহূর্তে গোল করেন টম অলড্রেড। তবে এদিন প্রথম একদশে ফিরেই কিন্তু সকলের নজর কাড়লেন দিমিত্রি পেত্রাতস(Dimitri Petratos)। তিনি যে এবার নতুন করে চমক দিতে প্রস্তুত তা যুবভারতীতে নেমেই বুঝিয়ে দিয়েছেন দিমিত্রি।
গোল হয়ত পেলেন না তিনি, কিন্তু তাঁর তুলে আনা একের পর এক আক্রমণ বারবারই কেরালা ব্লাস্টার্সকে বিপদের মুখে ফেলে দিয়েছিল। তাঁরই বাড়ানো নিখুঁত পাস থেকে জেমি ম্যাকলরেনের(Jamie Maclaren) গোল। প্রথমার্ধে যদি একটু জন্য লক্ষ্যচ্যূত না হতেন, তবে মোহনবাগনের হয়ে প্রথম গোলটাও এদিন হয়ত দিমিত্রির নামেই হয়ে যেত। এদিন ম্যাচ শুরুর কিছুক্ষণ বাদ দিলে, প্রথমার্ধের শুরু থেকেই কেরালা ব্লাস্টার্সের ওপর ভয়ঙ্কর আক্রমণ শানাতে শুরু করেছিল মোহনবাগান।
কখনও জেমি তো কখনও দিমির আক্রমণ। বক্সের মধ্যে দিমি বলে ছোঁয়া লাগাতে ব্যর্থ না হলেও, কিছুক্ষণের মধ্যেই এগিয়ে যেতে পারত মোহনবাগান। লিস্টন কোলাসো থেকে আপুইয়াদেরও শট একটুর জন্যই ব্যর্থ হয়েছিল। তবে গোল পেতে মোহনবাগানকে বেশীক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি। ম্যাচের ৩৬ মিনিটে আপুইয়ার বাড়ানো বল ম্যাকলরেনের পায়ে সুন্দর করে সাজিয়ে দেন দিমিত্রি। গোল করতে ভুল করেননি জেমি ম্যাকলরেন। বিরতির পরও মোহনবাগানেরই দখল ছিল বেশি। রবসন রোবিনহও বেশকিছু সুযোগ কিন্তু তৈরি করে দিয়েছিলেন। যদিও ব্যবধান বাড়াতে পারেনি মোহনবাগান। তবে এই পর্বে কেরালাও ম্যাচে ফিরতে মরিয়া ছিল। বিশেষ করে দ্বিতীয়ার্ধের শেষ ২০ মিনিট মোহনবাগানের রক্ষণে বারবার আক্রমণ করে তারা।
কিন্তু শুভাশিস, টম অলড্রেডদের হাত ধরে বারবারই বেঁচে যায় মোহনবাগান। সবুজ-মেরুন ফুটবলাররাও যে সুযোগ পাননি এমনটা কিন্তু নয়। তবে জালে বল জড়াতে পারছিলেন না কামিন্সরা। একেবারে শেষ মুহূর্তে ফ্রিকিক থেকে অলড্রেডের দুরন্ত হেডে কেরালার কফিনে শেষ পেড়েকটি পুঁতে দেন টম অলড্রেড। সেইসঙ্গেই উচ্ছ্বসিত যুবভারতীত। প্রথম ম্যাচ জেতার উচ্ছ্বাস থাকলেও, লোবেরা কিন্তু একেবারে নিশ্চিন্ত হয়ে মাঠ ছাড়তে পারলেন না। কারণ ম্যাচের একেবারে অন্তিমলগ্নে চোট পেয়ে, স্ট্রেচারে করেই মাঠ ছাড়তে হয় রবসন রোবিনহোকে।






