এখনও শুরু হয়নি। তবে শুরু হল বলে। দুই মহাতারকা সঙ্কটে। একদিকে ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো মোটেই সুবিধে করতে পারছেন না মরু দেশে। অন্যদিকে আমেরিকার মাটিতে লিওনেল মেসিরও একই দশা। মজার ঘটনা হল, দুই দেশের তারকারা যেদিন নিষ্প্রভ থাকছেন সেইদিন কিন্তু তঁাদের দল যে জিতে মাঠ ছাড়ছে তাও নয়। সুতরাং প্রমাণ হয়ে যাচ্ছে, মেসি-রোনাল্ডো যুগের অবসান ঘটেনি।
বৃহস্পতিবার যেমন ঘটলো মেসির ক্ষেত্রে। পুরো ৯০ মিনিট আর্জেন্টাইন তারকা খেললেন। তবু ইন্টার মায়ামি জিততে পারল না। বরং হারতে হারতে ৩-৩ গোলে ড্র করেছে কোনওমতে। প্রশ্ন উঠবে মেসি পুরো সময় খেলেও পারলেন না ইন্টার মায়ামিকে জেতাতে? নাকি তিনি চেষ্টার ত্রুটি রাখেননি, সতীর্থরা ডুবিয়েছেন? অথবা তিনি গোল করেছেন কিন্তু দল কোনওভাবে জিততে পারল না? প্রতিটি প্রশ্নের উত্তর হবে না। ইন্টার মায়ামি বনাম সান হোসে আর্থাকোয়েকস ম্যাচে মেসি কোনও ছাপ ফেলতে পারেননি। না করলেন গোল, না করলেন গোল করার জন্য সতীর্থদের সামনে সুযোগ তৈরি করে দিতে, না পেরেছেন অসাধারণ শট নিয়ে সমর্থকদের মন জয় করতে, না দেখা গিয়েছে তঁার পায়ে ড্রিবলিংয়ের জাদু, না নিতে পেরেছেন সঠিকভাবে গোলমুখী শট, পাসিংয়ের ক্ষেত্রেও এদিন ছিল প্রায় ভুলে ভরা। সব মিলিয়ে মেসি তঁার ফুটবল জীবনের সায়াহ্নে পৌছে যাওয়ার যেন ইঙ্গিত দিয়ে গেলেন। অথচ এমন দিনে মায়ামিও জিততে পারল না।
উত্তর ক্যালিফোর্নিয়ার এই ক্লাবকে সংক্ষেপে ডাকা হয় কোয়েকস নামে। বাংলা অর্থ করলে দঁাড়াবে ভূমিকম্প। নামের সঙ্গে যেন নিজেদের জাত চিনিয়ে দিয়েছিল কোয়েকস। প্রথমার্ধে ৩-১ গোলে এগিয়ে যায় উত্তর ক্যালিফোর্নিয়ার দলটি। গোলগুলি করেন ক্রিস্তিয়ান আরাঙ্গো, বো লেরো ও ইয়ান হারকেস। কিন্তু বিরতির পর আর্জেন্টাইন উইঙ্গার তাদেও আলেন্দে গোল দুটি দিয়ে কোনওমতে দলকে সমতায় ফিরিয়ে আনেন। দলের হয়ে বাকি গোলটি দেন উরুগুয়ের ডিফেন্ডার ম্যাক্সিমিলিয়ানো ফালকান। তিনি খেলা শুরুর এক মিনিটের মাথায় গোল দিয়ে মায়ামিকে এগিয়ে দিয়েছিলেন। অথচ তিন মিনিটের মাথায় গোল দিয়ে কোয়েকসকে সমতায় ফিরিয়ে আনেন কলম্বিয়ান ক্রিশ্চিয়ানো আরাঙ্গো। এই ড্রয়ের ফলে এমএলএসের ইস্টার্ন কনফারেন্সের পয়েন্ট তালিকায় পঁাচে রয়ে গেল মায়ামি। এই মুহূর্তে সাপোটার্স শিল্ড জয়ের দৌড়ে অনেকটা পিছিয়ে পড়েছে মেসি বাহিনি। দুই কনফারেন্স মিলিয়ে ডেভিড বেকহামের দল কিনা সাত নম্বরে দঁাড়িয়ে। তাই মেসিকে নিয়ে গুঞ্জন শুরু হল বলে।

পদপিষ্ট হওয়া ১১ সমর্থকের জন্য আজীবন আসন সংরক্ষন RCB-র
Shareগতবছরের সেই ভয়াবহ ঘটনার পর এই প্রথমবার আইপিএলের(IPL) ম্যাচ আয়োজন করতে চলেছে এম চিন্নাস্বামী স্টেডিয়াম। কিন্তু এই মাঠে ম্যাচে নামার






