মোহনবাগান যেদিন এএফসি ম্যাচ খেলতে যুবভারতীতে নামছে, সেদিনই শহরে পা দিচ্ছেন ইস্টবেঙ্গলের(Eastbengal) তারকা ফুটবলার মহম্মদ রশিদ(Mohammed Rashid)। বাকি বিদেশিদের সঙ্গে নয়, আলাদা তাদের আগেই আসছেন এই প্যালাস্তাইনি তারকা ফুটবলার। কিন্তু হঠাত্ এমন সিদ্ধান্ত কেন নিলেন তিনি। এই নিয়েও শুরু হয়ে গিয়েছে নানান জল্পনা। না চিন্তার কোনও কারণ নেই। বাবা হতে চলেছেন রশিদ(Mohammed Rashid)। সেই কারণে খানিকটা আগেই পরিবারের সঙ্গে এখানে চলে আসতে চাইছেন তিনি। কার্যত সব কিছুর সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার জন্যই হয়ত এমন সিদ্ধান্ত।
ইতিমধ্যেই তাঁর নিউ টাউনে(New Town) অভিজাত আবাসনে থাকার ব্যবস্থা করা হয়ে গিয়েছে। তিনি প্যালেস্তাইন থেকে আসবেন না। আসছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে। সেখানেই থাকেন তাঁর পরিবার। কিন্তু স্ত্রী সন্তান সম্ভবা। এমন পরিস্থিতিতে পরিবারের পাশেই সবসময় থাকতে চাইছেন তিনি। সেই কারনেই নাকি খানিকটা আগে আসছেন রশিদ। থাকার ব্যবস্থার পাশাপাশি এখানে চিকিত্সার ব্যবস্থাও নাকি তাঁর জন্য করে ফেলেছে ইস্টবেঙ্গল(Eastbengal) ম্যানেজমেন্ট।
স্ত্রীকে আমেরিকায়(USA) একেবারেই একা রাখতে চাইছেন না তিনি। ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের সঙ্গে এই বিষয়ে আগেই কথা হয়ে গিয়েছিল রশিদের(Mohammed Rashid)। তাদের কাছে প্রয়োজনে চিকিত্সার ব্যবস্থার কথাও নাকি জানিয়েছিলেন রশিদ। বিশেষ করে স্ত্রীয়ের এই সময়ে চেকআপের জন্য। সেই মতো কলকাতায় এক বেসরকারী হাসপাতালের সঙ্গেও নাকি ইস্টবেঙ্গল ম্যানেজমেন্টের কথাবার্তা হয়ে গিয়েছে। সেই ব্যবস্থাও করে ফেলেছেন তারা।
রশিদের পরিবার নিয়ে থাকতে যাতে কোনওরকম সমস্যা না হয় তা নিয়ে যথেষ্ট ওয়াকিবহাল ইস্টবেঙ্গল ম্যানেজমেন্ট। আগামী ২০ সেপ্টেম্বর থেকে ইস্টবেঙ্গল শুরু করবে প্রস্তুতি। ১৯ তারিখ সমস্ত ফুটবলাররা এলেও, রশিদ চলে আসছেন ১৬ সেপ্টেম্বরই।
অন্যদিকে মাধি তালাল নিয়ে ইস্টবেঙ্গল এখনও কথাবার্তা চালিয়ে যাচ্ছে। শোনা যাচ্ছে সমঝোতার জন্য নাকি তাঁকে একটা প্রস্তাব দেওয়াও হয়েছে। যদিও সেই প্রস্তাব এখনও পর্যন্ত মাধি তালাল গ্রহন করেনি। তবে কয়েকদিনের মধ্যেই তাঁর বেতন ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে। মাধি তালালের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন লাল-হলুদ ম্যানেজমেন্টের সদস্যরা। তবে মাধি ইস্টবেঙ্গলের প্রস্তাব না মানলে, তাঁকে যে সম্পূর্ণ বেতনটাই দিতে হবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।







