প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি-র অভিনন্দন বার্তার প্রত্যুত্তর দিলেন নীরজ চোপড়া। জানিয়ে দিলেন, প্রধানমন্ত্রীর বার্তা তিনি দেখেছেন। আগামী দিনে ভারতকে আন্তর্জাতিক ক্রীড়াক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত করার কোনও ত্রুটি রাখবেন না।
দোহার ডায়মন্ড লিগে দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়েছেন নীরজ চোপড়া। তিনি বর্শা ছেঁাড়েন দোহার মাটিতে ৯০.২৩ মিটার। তবু সোনা পাননি। সোনা পেয়েছেন জার্মানির জুলিয়ান ওয়েবার। যিনি ছেঁাড়েন ৯১.০৬ মিটার দূরত্বে। ভারতের সোনার ছেলেকে রুপো নিয়ে সন্তুষ্ট থাকতে হয়। তবে বহুদিন ধরি তিনি একটা কথাই বলে আসছিলেন, ৯০ মিটার বর্শা ছেঁাড়া তঁার কাছে অন্যতম লক্ষ্য। সেই লক্ষ্যে তিনি পৌঁছেও সোনা তুলে নিতে পারলেন না। তবে ৯০ মিটারের ওপর জ্যাভলিন থ্রো করে ভেঙে দিয়েছেন নিজের গড়া রেকর্ড। সেইসঙ্গে ভারতীয় অ্যাথলেটিক্সকে বিশ্বের দরবারে সুদৃঢ়ভাবে স্থাপন করেছেন। বুঝিয়ে দিয়েছেন, ভারতীয় অ্যাথলেটিক্সকে আর উপেক্ষা করা যাবে না। তবে নীরজের এই কীর্তিতে প্রতিটি ভারতবাসী গর্বিত। তাই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও নিজস্ব অভিব্যক্তি প্রকাশ করতে গিয়ে এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছিলেন, “একটা অসাধারণ কৃতিত্ব। দোহায় ২০২৫ সালের ডায়মন্ড লিগে ৯০ মিটারের মাইলফলক অতিক্রম করা বর্শা ছুঁড়েছো। ব্যক্তিগত সেরা থ্রো করার জন্য তোমাকে অভিনন্দন জানাচ্ছি। নিরলস নিষ্ঠা, শৃঙ্খলা ও আবেগের ফল হিসেবে এই জায়গায় যেতে পেরেছো। তোমার জন্য ভারতের প্রতিটি মানুষ যেমন আনন্দিত আবার গর্বিতও বটে।”
প্রধানমন্ত্রীর এই বার্তা পাওয়ার পর তার প্রত্যুত্তর দিতে ভুল করেননি নীরজ চোপড়া। তিনি তঁার এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেছেন,“আপনার আবেগ মিশ্রিত বক্তব্য ও উত্সাহ দানের জন্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি শ্রী নরেন্দ্র মোদি জী। আশা করছি দেশের জন্য সবসময় আমি সেরাটা দিতে দ্বিধা করব না।” জ্যাভলিন থ্রোয়ার ফলাফলের প্রসঙ্গে নিজস্ব অভিমত জানাতে গিয়ে শুধু একটা কথা বলেছেন, “নোনতা-মিষ্টি”। তারমানে বোঝাতে চেয়েছেন ৯০ মিটার দূরত্ব অতিক্রম করা বর্শা ছেঁাড়ার জন্য যেমন তিনি গর্বিত। আবার সোনার বদলে রুপো পাওয়াকে তিনি তিক্ততার সঙ্গে তুলনা করতে ভুল করেননি। বুঝিয়ে দিয়েছেন, লক্ষ্য অতিক্রম করলেও পদকের ক্ষেত্রে তঁার আশা পূরণ হয়নি। তবে নীরজের কাছে এমন অভিজ্ঞতা নেই তাতো নয়। অতীতে তিনি দুরন্ত পারফরম্যান্স করলেও সোনার বদলে রুপো নিয়ে সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছিল। দুটো ঘটনা ঘটেছিল স্টকহোম ও তুর্কুতে। তবে নীরজ বুঝিয়ে দিয়েছেন, এবার তঁার পারফরম্যান্সে ধারাবাহিকতা থাকবে। ক্রমাগত কুঁচকির চোট তঁাকে বারবার সমস্যায় ফেলে দিচ্ছিল। সেই কঁুচকির চোট তিনি অনেকটা সারিয়ে তুলতে পেরেছেন। এখন কুঁচকিতে যে সমস্যা আছে তা বড় আকার ধারণ করবে বলে মনে করছেন না। তাই তিনি জানিয়েছেন, “এবার আমি অাগের তুলনায় অনেকটা স্বস্তি বোধ করছি। আমি আশা করছি সামনের প্রতিযোগিতাগুলোতে ৯০ মিটারের বেশি বর্শা ছুঁড়তে পারব।”

পদপিষ্ট হওয়া ১১ সমর্থকের জন্য আজীবন আসন সংরক্ষন RCB-র
Shareগতবছরের সেই ভয়াবহ ঘটনার পর এই প্রথমবার আইপিএলের(IPL) ম্যাচ আয়োজন করতে চলেছে এম চিন্নাস্বামী স্টেডিয়াম। কিন্তু এই মাঠে ম্যাচে নামার






