আইএসএলের ভবিষ্যৎ নিয়ে অচলাবস্থা এখনও কাটেনি। এফএসডিএলের সঙ্গে এআইএফএফের চুক্তি মাস্টার্স রাইটস এগ্রিমেন্ট অর্থাৎ এমআরএ নবীকরণ নিয়ে এখনও কোনও নিশ্চয়তার খবর তৈরি হয়নি।
সেই কারণে দেশের শীর্ষ ফুটবল লিগের অচলাবস্থায় ওড়িশা এফসি ৫ আগস্ট থেকে সমস্ত খেলোয়াড় এবং কর্মীদের সঙ্গে চুক্তি স্থগিত করেছে।
এফএসডিএল এবং এআইএফএফের মধ্যে অচলাবস্থার মধ্যে অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত রাখা হয়েছে আইএসএল। এই পরিস্থিতিতে ওড়িশা এফসি’র তরফে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে তারা। ক্লাবের পক্ষ থেকে এ কথাও জানানো হয়েছে, ফুটবলাররা যদি অন্য কোথাও ক্লাবের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হতে চান, তাতে কোনও আপত্তি থাকবে না তাদের।
ওড়িশা এফসি’র তরফে এক চিঠিতে বলা হয়েছে, “আপনারা হয়তো জানেন, ফুটবল স্পোর্টস ডেভেলপমেন্ট লিমিটেড এবং অল ইন্ডিয়া ফুটবল ফেডারেশন মাস্টার রাইটস চুক্তি পুনর্নবীকরণের বিষয়ে কোনও চুক্তিতে পৌঁছতে পারেনি। সেই কারণে ইন্ডিয়ান সুপার লিগ অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করা হয়েছে। এটা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। বিষয়টা ওড়িশা এফসি’কে অত্যন্ত কঠিন অবস্থার মধ্য ফেলেছে। এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, যা সম্পূর্ণভাবে ক্লাবের নিয়ন্ত্রণের বাইরে। এটা ফোর্স ম্যাজিওর ইভেন্টের মতো।”
জানা গিয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের রায়ে নতুন কমিটি গঠন হতে পারে নতুন সংবিধান ঘোষণার পরেই। যা পরিস্থিতি, তাতে টালবাহানা মিটতে গড়িয়ে যেতে পারে সেপ্টেম্বর মাস। অর্থাৎ, নির্ধারিত দিনে আইএসএল শুরু হওয়ার সম্ভাবনা বিশ বাঁও জলে। এবার নতুন কমিটি এসে যদি এফএসডিএলের দাবি মেনে চুক্তি করে, সেটাও আদালতে যাওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে, মাস্টার রাইটসে অবনমন না থাকার কথা।
এই জায়গা থেকে বেরিয়ে আসার জন্যই ওড়িশা এফসি ফুটবলারদের চুক্তির ক্লজ খুঁজে বের করেছে। সেই অনুযায়ী পুরো পেমেন্ট দিতে হবে না ফুটবলারদের। এই ক্লজের নাম ফোর্স ম্যাজিউর। এই ক্লজ অনুযায়ী, কোনও কারণে আইএসএল না হলে ফুটবলারদের মূল বেতনের একটা বড় অংশ কেটে নিতে পারবে তারা। ওড়িশা এফসি’র তরফে জানানো হয়েছে, “সমস্ত দিক খতিয়ে দেখে এই কঠিন সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে ক্লাব। ৫ আগস্ট, ২০২৫ থেকে ক্লাবের সঙ্গে খেলোয়াড় এবং কর্মীদের চুক্তি স্থগিত করা হবে। এমন সিদ্ধান্ত আচমকা নেওয়া হয়নি। ক্লাবের অংশীদারদের সর্বোত্তম স্বার্থে নেওয়া হয়েছে।” উল্লেখ্য, ওড়িশা এফসি’র মূল অংশীদারের নাম দিল্লি সকার প্রাইভেট লিমিটেড।







