ব্যাট, বল হাতে দুরন্ত হার্দিক পান্ডিয়া। সেইসঙ্গে অকুণ জেটলি স্টেডিয়ামে একাধিক রেকর্ড গড়ে নামিবিয়ার বিরদ্ধে বিরাট জয় তুলে নিল ভারত। আর এই জয় যে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে নামার আগে ভারতীয় দলের আত্মবিশ্বাস অনেকটাই বাড়িয়ে দিল তা বলার অপেক্ষা রাখে না। ড্রেস রিহার্সাল সারা হয়ে গিয়েছে। এবার মূল পরীক্ষার পালা। l
এদিন টস জিতে ভারতকে প্রথম ব্যাটিংয়ের সুযোগ দিয়েছিল নামিবিয়া অধিনায়ক। অভিষেক হীন ভারত হলেও, শুরু থেকেই ঈশান কিষাণরা ছিলেন বিধ্বংসী ফর্মে। সঞ্জু ৮ বলে ২২ রানে ফিরে যান। কিন্তু ঈশান ছিলেন ভয়ঙ্কর আক্রমণাত্মক মেজাজে। মাত্র ৭ ওভারের মধ্যেই ১০০ রানের গন্ডী টপকে গিয়েছিল ভারত। মাঝে পরপর উইকেট খুইয়ে একটি গতি কমলেও, বড় রান করতে অসুবিধা হয়নি ভারতের। শেষের দিকে দুরন্ত ফর্মে ছিলেন হার্দিক পান্ডিয়া। শেষ মুহূর্তে তাঁর ব্যাট থেকে আসে ২৮ বলে ৫২ রানের ইনিংস। তবে হার্দিক ফিরতেই পরপর উইকেট খোয়ায় ভারত। সেটা কিন্তু গম্ভীরের দলকে খানিকটা হলেও চিন্তা রাখবে।
ভারত শেষপর্যন্ত করে ২০৯ রান। জবাবে শুরুটা ভালভাবে করার চেষ্টা করলেও অর্শদীপ এবং বরুণের ধাক্কায় ৬৭ রানের মধ্যেই ২ উইকেট খোয়ায় নামিবিয়া। বরুণের স্পিনের সামনে এদিন ধসে পড়ে নামিবিয়ার টপ থেকে মিডল অর্ডার। তিনি একাই তুলে নেন তিন উইকেট। সেইসঙ্গে যোগ্য সঙ্গত হার্দিক পান্ডিয়ারও। তাঁরও শিকার ২ উইকেট। রান দিয়েছেন মাত্র ২১। ম্যাচ শেষে সেরার শিরোপাও উঠেছে সেই হার্দিকের হাতেই।







