আবার রেফারি বিভ্রাট। এবারও দু-দল যথারীতি উপস্থিত। বৃষ্টি-ঝড় কিছুই নেই। যথারীতি মাঠের পরিস্থিতিও ভাল। তাহলে খেলা না হওয়ার কারণ? একটাই, রেফারি অনুপস্থিত। রেফারি সংস্থার দাবি, এক মাঠে রেফারি পাঠানো হয়েছে। অথচ খেলা পড়েছে অন্যমাঠে। তখন আর রেফারির পক্ষে সম্ভব হয়নি মাঠ বদল করে সেই নির্দিষ্ট খেলার মাঠে ফিরে আসা।
ঘটানাটা ঘটেছে ধরমপুরে। সেখানে খেলা ছিল তৃতীয় ডিভিসনের গরলগাছা স্পোর্টিং ক্লাবের সঙ্গে বাটার। কলকাতা থেকে ধরমপুরের দূরত্ব যথেষ্ট। এমনিতেই কলকাতা লিগ এখন রূপান্তরিত হয়েছে জেলা লিগে। জেলার মাঠগুলোতে বেশিরভাগ খেলা হচ্ছে। বড় দলগুলোর জেলা মাঠে খেলতে যাওয়া হয়তো সম্ভব। আর্থিক দিক দিয়ে যেহেতু তারা অনেকটা স্বয়ম্ভর। আর্থিক পৃষ্ঠপোষকতা পেয়ে থাকে। ফলে কলকাতা থেকে দূরে যেতে খুব একটা সমস্যা হয়না। ছোট দলগুলোর অবস্থা নুন আনতে পান্তা ফুরনোর মতো। সেই জায়গায় যদি কলকাতা থেকে ঠেঙিয়ে ধরমপুরে যাওয়ার পরে দেখা যায় রেফারি যায়নি তখন তো ক্লাবগুলো ক্ষোভে ফেটে পড়বেই। শুধু আর্থিক ক্ষতি নয়, দূর-দুরান্ত থেকে আসা ফুটবলারদের পথ খরচ জোগানোর পয়সা মেটাতে হয়। সব মিলিয়ে কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখীন হয় দলগুলো।
গরলগাছা স্পোর্টিং ক্লাব তাই ক্ষোভে ফেটে পড়ে। ক্লাব কর্তাদের দেখা যায় আইএফএ ও রেফারি সংস্থার বিরুদ্ধে বিশ্রি গালমন্দ পাড়তে। রেফারি সংস্থার নতুন সচিব চিত্তদাস মজুমদারকে এই ব্যাপারে জানতে চাওয়া হলে তিনি বললেন, “আমরা ধরমপুর মাঠ জানতাম চুচঁুড়ায়। সেইভাবে রেফারিকে চিঠি করি। কিন্তু খেলা শুরু হওয়ার কয়েক মুহূর্ত আগে জানতে পারি মাঠটা হচ্ছে কঁাচড়াপাড়ায়। তখন আমাদের সামনে আর কিছু করার ছিল না। এটা আমাদের সম্পূর্ন ভুল। ধরমপুর মাঠ কঁাচড়াপাড়া থেকে অনেকটা যেতে হয়। অটোতে যেতে অনেকটা সময় লাগে। তাই সব মিলিয়ে আমাদের পক্ষে সম্ভব হয়নি মাঠে রেফারি দেওয়া। যাইহোক আর ভুল হবে না।”







