প্রথম দিনটা যদি শুভমন গিল ও যশস্বী জয়সওয়ালের হয়, তাহলে দ্বিতীয় দিনটা ঋষভ পন্থ, জসপ্রীত বুমরা ও ইংরেজ ওলি পোপের। পন্থের শতরানের জবাব দিলেন পোপ। অপরাজিত শতরানে। তবে আগুনে বুমরার সামনে বিপদে পড়তে পারত ইংল্যান্ড, যদি না রবীন্দ্র জাদেজা ও যশস্বী জয়সওয়াল ক্যাচ ফেলতেন।
গতদিনের ৩ উইকেটে ৩৫৯ রান নিয়ে দিনের খেলা শুরু করেছিল ভারত। গিল ও পন্থ প্রথম দিন যেখানে শেষ করেছিলেন সেখান থেকেই শুরু করেন। একই রকম আত্মবিশ্বাসী, জমাট ব্যাটিং। যশস্বী, গিলের পর এদিন পন্থও শতরান করলেন। ইংল্যান্ডের মাটিতে তৃতীয় শতরান। একমাত্র ভারতীয় উইকেটরক্ষক হিসাবে টেস্ট সাতটি শতরান করলেন। এখনই পিছনে ফেলে দিলেন মহেন্দ্র সিং ধোনিকে। মাহি করেছিলেন ৬টি শতরান। ১৩৪ রান করে আউট হলেন। গিল করেন ১৪৭ রান। চতুর্থ উইকেটে দুজনে যোগ করেন ২০৯ রান।
তারপরই বিরাট ধস। ৩ উইকেটে ৪৩০ থেকে ৪৭১ রানে অল আউট। শেষ সাতটি উইকেট পড়ল মাত্র ৪১ রানে। আর কোনও ব্যাটসম্যানই রান পেলেন না। ৮ বছর পর প্রত্যাবর্তনটা সুখের হল না করুণ নায়ারের। কোনও রান না করেই ফিরলেন। টং ও স্টোকস চারটি করে উইকেট নিয়ে ভেঙে দিলেন ভারতের লোয়ার মিডল অর্ডার।
এরপর বুমরার আগুনে বোলিং। শুরুতেই তুলে নিলেন জ্যাক ক্রলিকে। তারপরই বেন ডাকেটকেও পেয়ে যেতেন, যদি ক্যাচটা ধরতে পারতেন জাদেজা। সেই ডাকেট ৬২ রান করে গেলেন। ওলি পোপ শতরান করে বড় জবাবের দিকে নিয়ে গেলেন ইংল্যান্ডকে। দিনের শেষে স্টোকসদের রান ৩ উইকেটে ২০৯। কিন্তু জয়সওয়াল যদি ক্যাচ না ফেলতেন তাহলে সমস্যায় পড়তে পারত ইংল্যান্ড।
একা লড়াই চালিয়ে গেলেন জসপ্রীত বুমরা। ইংল্যান্ডের তিনটি উইকেটই নিলেন তিনি। ৪৮ রানে ৩ উইকেট। কিন্তু বাকি বোলাররা কী করলেন? বুমরাকে যদি অন্যরা নূন্যতম সহযোগিতা না করতে পারেন, তাহলে আর স্পিডস্টারের ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্ট হবে কী করে?







