সুপার কাপ সেমিফাইনালের আগে জোড়া স্বস্তি ইস্টবেঙ্গল(Eastbengal) শিবিরের। লাল-হলুদের প্রস্তুতিতে নেমে পড়লেন সওল ক্রেসপো(Saul Crespo) এবং প্রভসুখন গিল(Prabhsukhan Gill)। আর তাতেই খানিকটা হলেও যে লাল-হলুদ শিবিরে স্বস্তি এসেছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। টাইফয়েডে আক্রান্ত হয়ে ইস্টবেঙ্গলের অনুশীলনে যোগ দিতে পারেননি প্রভসুখন গিল(Prabhsukhan Gill)। তবে গত রবিবারই শহরে পৌঁছেছেন লাল-হলুদের গোলের নীচে প্রধান শক্তি। অস্কারে(Oscar Bruzon) তত্ত্বাবধানে জোর কদমে প্রস্তুতিও শুরু করে দিলেন তিনি। একইসঙ্গে চোট সারিয়ে ইস্টবেঙ্গলের অনুশীলনে যোগ দিলেন সওল ক্রেসপোও।
গত ১০ নভেম্বর থেকে প্রস্তুতি শুরু করেছে ইস্টবেঙ্গল। কিন্তু সেই শিবিরে যোগ দেননি প্রভসুখন গিল(Prabhsukhan Gill)। খোঁজ নিয়ে জানান যায় টাইফয়েডে আক্রান্ত হয়ে পঞ্জাবেই নিজের বাড়িতে রয়ে গিয়েছিলেন গিল। সেখানেই তাঁর চিকিৎস চলছিল। যদিও ইস্টবেঙ্গল(Eastbengal) টিম ম্যানেজমেন্ট তাঁর সঙ্গে ক্রমাগত যোগাযোগ রেখে চলছিল। গত সপ্তাহের মাঝামাঝিই তাঁর সুস্থ হওয়ার খবর চলে এসেছিল ইস্টবেঙ্গলের কাছে। গত রবিবার রাতেই ইস্টবেঙ্গল শিবিরে যোগ দিয়েছিলেন প্রভসুখন গিল(Prabhsukhan Gill)। সপ্তাহের প্রথম গিন থেকেই মাঠে নেমে পড়লেন এই তারকা ফুটবলার।
অন্যদিকে একইসঙ্গে লাল-হলুদের প্রস্তুতিতে যোগ দিয়েছেন সওল ক্রেসপো(Saul Crespo)। বেশ কয়েকদিন আগেই শহরে চলে এসেছিলেন। কিন্তু প্রস্তুতিতে যোগ দেননি। চিকিৎসকের পরামর্শ মতো রিহ্যাব চালাচ্ছিলেন এখানেও। কোচ আসার পরও ক্রেসপোকে রিহ্যাবেই জোর দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন তিনি।
অবশেষে গিলের সঙ্গে সোমবার থেকেই লাল-হলুদের প্রস্তুতিতে যোগ দিয়েছেন ইস্টবেঙ্গলের মাঝমাঠের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ সও ক্রেসপো। সুপার কাপে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে ম্যাচেই চোট পেয়েছিলেন তিনি। এরপর থেকেই তাঁকে নিয়ে চিন্তা বেড়েছিল। স্পেনে ফিরলেও সেখানে রিহ্যাব সারছিলেন এই তারকা ফুটবলার। সোমবার থেকে প্রস্তুতিতে নেমে পড়লেন তিনি।
চলত সপ্তাহের সোমবার থেকেই সুপার কাপের জন্য জোর কদমে প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছেন অস্কার ব্রুজোঁ। এবার সুপার কাপ ইস্টবেঙ্গলের হয় কিনা সেটাই দেখার।







