১১ বছর আগে, ২০১৪-র বিশ্বকাপ ফাইনালে, বেলো অরিজন্তে স্টেডিয়ামের ৫৮ হাজার দর্শক দেখেছিলেন চোখের জলে স্ট্রেচারে শুয়ে তাকে মাঠ ছাড়তে। সেবার জার্মানির বিরুদ্ধে ১-৭ গোলে হেরেছিল ব্রাজিল।
বৃহস্পতিবার আবার স্যান্টোসের ঘরের মাঠে, স্টেডিয়াম ভর্তি দর্শক দেখল নেমারের কান্না। ম্যাচের শেষে। ততক্ষণে স্যান্টোস ব্রাজিলিয়ান প্রিমিয়ার লিগে ভাস্কো দা গামার বিরুদ্ধে তার দল ৬ গোলে বিধ্বস্ত হয়ে গিয়েছে! নেমারকে তার ক্লাব ফুটবলজীবনে এরকম বিপর্যস্ত হতে হয়নি। ২০ দলের ব্রাজিলিয়ান প্রিমিয়ার লিগের টেবিলে এই হারের পর স্যান্টোস ১৫ নম্বরে চলে গিয়েছে! অবনমনের ঠিক দু’পয়েন্ট পেছনে!
লজ্জার এই পরাজয়ের ঘণ্টাখানেকের মধ্যে বরখাস্ত করা হয়েছে স্যান্টোস কোচকে।
গত জুনে ব্রাজিলের এই ক্লাবের নতুন চুক্তিতে সই করেছিলেন নেইমার। কিন্তু তাঁর কেরিয়ারের এটাই সবচেয়ে হতাশাজনক পরাজয়ের নজির। যা মেনে নিতে পারেননি তিনি। শেষ বাঁশি বাজার পর মাঠে বসে কেঁদে ফেলেন। তাঁকে সতীর্থরা টেনে তোলার চেষ্টা করলেও উঠতে চাইছিলেন না। এরপর তাঁকে সান্ত্বনা দিতে আসেন ক্লাবের এক স্টাফ। নেইমারকে জড়িয়ে ধরেন তিনি।
পরাজয়ের পর নেইমার বলেন, “আমি সত্যিই লজ্জিত। অত্যন্ত হতাশাজনক পারফরম্যান্স করেছি আমরা। সমর্থকদের প্রতিবাদের সম্পূর্ণ অধিকার আছে। এটা আমার জীবনে সবথেকে খারাপ এবং লজ্জাজনক অভিজ্ঞতা। রাগে আর হতাশায় কান্না আসছে। এই ক্লাবের জার্সি গায়ে এভাবে খেলা লজ্জার। প্রত্যেকেরই বাড়ি গিয়ে মাথা বালিশে রেখে ভাবা উচিত, তাদের আসলে কী করণীয়।”







