ব্রেভিস, মিলারের পার্টনারশিপটাই ম্যাচের ভবিষ্যতটা ঠিক করে দিয়েছিল। সেইসঙ্গে ভারতের বিশ্রী ব্যাটিং। টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মঞ্চে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছেই থেমে গেল ভারতের অপরাজিত দৌড়। গুজরাটের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে প্রোটিয়া বাহিনীর কাছে ৭৬ রানে হারলেন সূর্যকুমার যাদবরা। সেইসঙ্গে সেমিফাইনালে পৌঁছনোর রাস্তাটাও যে তারা অনেকটা কঠিন করে ফেলল তা বলার অপেক্ষা রাখে না। ওয়েস্ট ইন্ডিজ এবং জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে শুরু জয় নয়, বড় রানরেট রেখেই জিততে হবে ভারতকে।
টস জিতে এদিন প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল ভারতীয় দল। অর্শদীপ, বুমরাদের দাপটে ২০ রানের মধ্যে দক্ষিণ আফ্রিকা তিন উইকেট হারিয়েও ফেলেছিল। কিন্তু সেই জায়গা থেকেই হাল ধরেন ডেভিড মিলার ও ডেওয়াল্ড ব্রেভিস। তাদের ৯৭ রানের পার্টনারশিপটাই বড় রানের রাস্তাটা পাকা করে দিয়েছিল। মিলার করেন ৬৩ রান এবং ব্রেভিসের ব্যাটে আসে ৪৫ রান। দক্ষিণ আফ্রিকা করে ১৮৭।
ঘরের মাঠে বড় লক্ষ্য হলেও, ভারতের কাছে সকলের প্রত্যাশাও ছিল অনেক। কিন্তু ঈশান কিষাণ এদিন শুরুতেই সাজঘরে ফেরার পরই যেন ভারতের ব্যাটিংয়ের করুণ দৃশ্যটা সকলের সামনে চলে এল। অভিষেক শর্মা ১৫ রান পেলেন ঠিকই, কিন্তু তাঁর ইনিংসটা একেবারেই অভিষেকের স্বভাপোযোগী ছিল না। তিলক বর্মা ফেরেন এক রানে। সূর্যকুমারের এদিনও স্লো ইনিংস। মাত্র ১৮ রানেই সাজঘরে ফিরতে হয় তাঁকে।
দক্ষিণ আফ্রিকার পেসাররা যেন ভারতীয় ব্যাটারদের সামনে এদিন অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠেছিলেন। শেষ মুহূর্তে শিবম দূবে ৪২ রান না করলে ভারত হয়ত এদিন ১০০ রানের গন্ডীও টপকাতে পারত না। শেষপর্যন্ত ১১১ রানেই থেমে যায় ভারত।







