জয়ের ধারা বজায় রেখে এগিয়ে চলেছে ইস্টবেঙ্গল। শুক্রবার কন্যাশ্রী কাপে ইস্টবেঙ্গলের প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল ওয়েস্ট বেঙ্গল পুলিশ স্পোর্টস ক্লাব। ইস্টবেঙ্গল অনায়াসে পুলিশ বাহিনির বিরুদ্ধে ৬-২ গোলে জিতে যায়। প্রথমার্ধেই লাল-হলুদ শিবির এগিয়ে ছিল ৫-০ গোলে। বিরতির পর স্বভাবতই গাছাড়া দিয়েছিল ইস্টবেঙ্গল। সেই ফঁাকে পুলিশ ঘুরে দঁাড়ায়। দেয় দুটি গোল। পুলিশের পক্ষে গোলগুলি করেন পুর্নিমা দাস ও মৌমিতা সর্দার। কোনও সন্দেহ নেই, পুলিশ বিরতির পর খেলা জমিয়ে দিয়েছিল। ইস্টবেঙ্গল যেমন গোল করতে পারছিল না। অন্যদিকে পুলিশ ক্রমাগত আক্রমণের ঝঁাঝ বাড়িয়ে চাপে ফেলে দিচ্ছিল প্রতিপক্ষকে। তাতে অবশ্য ইস্টবেঙ্গলের জয় আটকাতে পারেনি। খেলার পর পুলিশ দলের কোচ রিঙ্কু ঘোষ আক্ষেপের সুরে বলছিলেন, “ইস্টবেঙ্গল বড় দল। তাই আমরা শুরু থেকে সচরাচর যা খেলি তা থেকে বেরিয়ে এসেছিলাম। চেষ্টা করেছিলাম তাদের রুখে দিয়ে পাল্টা আক্রমণে যাব। ফল হল উল্টো। যদি আমরা অন্যান্য ম্যাচে যেমন খেলি অর্থাত্্ আক্রমণাত্মক খেলা খেলতাম তাহলে হয়তো এতটা খারাপ ফল হত না। বিরতির পর আমরা ঠিক করে ফেলি, আক্রমণের দিকেই নজর দেব। ফলে ইস্টবেঙ্গল তেমন খেলতেই পারল না। এখন আফসোস হচ্ছে, কেন আমাদের খেলা খেলতে গেলাম না।” তাছাড়া শুরুতে গোল খেয়ে যাওয়াও একটা কারণ। ৭ মিনিটের মাথায় গোল দিয়ে ইস্টবেঙ্গলকে এগিয়ে দেন সন্ধ্যা মাইতি। প্রথম গোলের পঁাচ মিনিট পর ফের গোল করে বসেন পন্ডিমিত লেপচা। বিরতির আগে বাকি তিনটে গোল দেন যথাক্রমে সুস্মিতা বর্ধন, পন্ডিমিত, সরিতা। সুলঞ্জনা রাউল খেলা শেষের তিন মিনিট আগে দলের হয়ে শেষ গোলটি করে যান। তার আগে পুলিশ দু-গোল পেয়ে গিয়েছিল। গোলগুলি করেন পূর্ণিমা দাস, মৌমিতা সর্দার। পুলিশ গত পঁাচটা ম্যাচে অপরাজিত ছিল। এই প্রথম ষষ্ঠ ম্যাচে এসে হারল। ইস্টবেঙ্গল অবশ্য একটামাত্র ম্যাচ হেরেছে। তাছাড়া তাদের জয় অব্যাহত। তবে পুলিশ দলের কোচ আত্মবিশ্বাসী মনোভাব নিয়ে জানিয়ে দিলেন, পরের ম্যাচ সার্দার্ন সমিতিকে তঁারা হারিয়ে ফের ঘুরে দঁাড়াবেন।
কন্যাশ্রী কাপের অন্যান্য খেলায় সার্দার্ন সমিতি ৭-০ গোলে জিতেছে। প্রতিপক্ষ ছিল বালি গ্রামাঞ্চল ক্রীড়া সমিতি। সার্দার্নের পক্ষে হ্যাটট্রিক সহ চারটে গোল করেন বর্ষা মাঝি। তিনি প্রথমার্ধে ১৩ ও ৩৭ মিনিটে গোল করেছিলেন। বাকি দুটো গোল দেন বিরতির পর। দলের বাকি গোলদাতারা হলেন, প্রিয়া রুইদাস, ঈপ্সিতা রাউত, স্বপ্না রায়। এসএসবি উইমেন্স ফুটবল ক্লাব ১-০ গোলে হারিয়ে দিয়েছে দীপ্তি সংঘকে। একমাত্র গোলটি করেন দুলার মারান্ডি। শ্রীভূমি ফুটবল ক্লাব একই ফলে জিতেছে। শ্রীভূমির পক্ষে গোলটি করেন অপূর্ণা নার্জারি। হারিয়ে দিয়েছে নিউ আলিপুর সুরুচি সঙ্ঘকে।

পদপিষ্ট হওয়া ১১ সমর্থকের জন্য আজীবন আসন সংরক্ষন RCB-র
Shareগতবছরের সেই ভয়াবহ ঘটনার পর এই প্রথমবার আইপিএলের(IPL) ম্যাচ আয়োজন করতে চলেছে এম চিন্নাস্বামী স্টেডিয়াম। কিন্তু এই মাঠে ম্যাচে নামার






