হেডিংলের মাঠে শুভমান গিলরা যখন ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম টেস্ট খেলতে ব্যস্ত থাকবেন, তখন চেমসফোর্ডে আর এক ভারতীয় ক্রিকেটার নতুন এক লড়াইয়ে নামছেন। সেদিন কাউন্টি ক্রিকেটে এসেক্সের বিরুদ্ধে খেলবে হ্যাম্পশায়ার। সেই দলের হয়ে খেলতে দেখা যাবে তিলক ভার্মাকে। এর আগে কাউন্টি ক্রিকেটে খেলার কোনও অভিজ্ঞতা নেই তিলকের। লাল বলের ক্রিকেটে নিজেকে আরও ভালভাবে তৈরি করতে কাউন্টির অফারে রাজি হয়ে বুধবার সই করে দিয়েছেন। হ্যাম্পশায়ারের ডিরেক্টর অফ ক্রিকেট জাইলস হোয়াইট একথা জানিয়ে বলেছেন, আমরা দারুন এক ট্যালেন্টেড ভারতীয় ক্রিকেটারকে সই করিয়েছি। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তিলক নিজেকে প্রমান করেছে। আইপিএলে তার পারফরম্যান্স সবাইকে চমকে দিয়েছে। দেখা যাক এবার আমাদের দলরে হয়ে কেমন সার্ভিস দিতে পারে তিলক।
এই মরশুমে এখনও পর্যন্ত হ্যাম্পশায়ার সাতটি ম্যাচের মধ্যে দুটিতে জিতেছে। দুটি হেরেছে। বাকি তিনটি ম্যাচ ড্র করেচে। তাই খুব একটা ভাল জায়গায় তারা নেই। ২২ বছরের হায়দরাবাদারে তিলকের উপর ভরসা করেছেন হ্যাম্পশায়ারের ক্রিকেট কর্তারা। তাদের হয়ে চারটি ম্যাচ খেলবেন তিলক। ১ আগস্ট তিনি দেশে ফিরবেন। ভারতীয় দল ইংল্যান্ড থেকে ফিরে আসার পর বাংলদেশের বিরুদ্ধে সিরিজ খেলবে। তার আগে নিজেকে পালিশ করে নিতে তিলক কাউন্টি ক্রিকেটে খেলতে রাজি হয়েছেন। এখন দেশের মাঠে কোনও ক্রিকেট নেই। তাই বাড়িতে বসে না থেকে কাউন্টিতে নিজেকে পরখ করে নেওয়াই লক্ষ্য তিলকের।
হায়দরাবাদের হয়ে বেশিদিন ক্রিকেট খেলছেন না তিলক। এখনও পর্যন্ত তিনি ১৮টি প্রথম শ্রেণীর ম্যাচ খেলেছেন। ২৮ ইনিংসে রান করেছেন ১২০৪। গড় ৫০.১৬। এর মধ্যে পাঁচটি সেঞ্চুরি ও চারটি হাফ সেঞ্চুরি আছে। ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি বলও করেন তিলক। পার্টটাইম স্পিনার হিসেবে ৮টি উইকেট পেয়েছেন। গড় ১২.৮৭।
এবারের আইপিএলে তিলক দারুন কিছু করতে পারেননি। ১৩টি ইনিংসে করেছেন ৩৪৩ রান। গড় ৩১.১৮। এর মধ্যে দুটি হফ সেঞ্চুরি আছে। স্ট্রাইক রেট ১৮.৩০।
জাতীয় দলের হয়ে তিলকের অভিষেক ২০২৩ সালে। এখনও পর্যন্ত ২৫টি টি২০ ম্যাচ খেলেছেন। ৫০-এর উপর গড় রেখে রান ৭৪৯। স্ট্রাইক রেট ১৫৫.০৭। টি২০ ক্রিকেটে তিলকের দুটি সেঞ্চুরিও আছে। সঙ্গে তিনটি হাফ সেঞ্চুরি। টি২০ ক্রিকেটে সফল হলেও ওয়ান ডেতে রান নেই তিলকের। চার ম্যাচে করেছেন মাত্র ৬৮ রান। এর মধ্যে একটি হাফ সেঞ্চুরি আছে।







